অন্বেষণ
চাঁদের পুকুর, বালির গান-dw.de
পশ্চিম চীনে গোবি মরুভূমির প্রান্তে মরুদ্যান শহর দুনহুয়াং, লাখ দু'য়েক
মানুষের বাস৷ বালিয়াড়ি অঞ্চলে চাষবাসের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে পর্যটন৷ মূল
সমস্যা পানির, কেননা হ্রদ ও নদীনালা শুকিয়ে যাচ্ছে৷
মিংশা – মানে বালির গান – পশ্চিম চীনের মরুদ্যান শহর দুনহুয়াং-এর দক্ষিণের বালিয়াড়িগুলিকে ঐ নামেই ডাকা হয়৷
শহরের প্রান্তে বালিয়াড়িগুলি টুরিস্টদের খুব প্রিয়৷ উটে চড়া আর স্লেজে চড়ে বালির উপর দিয়ে নীচে নামা ছাড়া এখানে আর একটি দ্রষ্টব্য আছে৷
বালিয়াড়ি এলাকার ঠিক মাঝখানে বাঁকা চাঁদের মতো একটি হ্রদ, যা দু'হাজার বছর যাবৎ মাটির নীচে কোনো অদৃশ্য উৎস থেকে পানি সংগ্রহ করে আসছে৷ এই হ্রদটি বহুদিন ধরে ফটোগ্রাফার সুন কুয়ানহুয়া-র ছবির বিষয়বস্তু:
‘‘আগে হ্রদটা আরো অনেক বড় এবং গভীর ছিল – প্রবীণেরা বলেন, দশ মিটার অবধি গভীর, কোনো মানুষ তার তলদেশ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেনি৷ ইতিমধ্যে হ্রদটা অনেক ছোট হয়ে এসেছে – আর অগভীর; জলের উচ্চতা এখন মাত্র তিন মিটার৷''
দুনহুয়াং-এ ফলের বাগান
তবে পানি কমে আসছে৷ খামারচাষি চিন জিয়ান-এর পিচ ফলের বাগান এখনও সবুজ, কিন্তু মাত্রাধিক কৃষিকাজ আর টুরিস্টদের ভিড়ে ভূগর্ভস্থ পানির মাত্রা ক্রমেই কমে আসছে৷ চিন বলেন:
‘‘সাধারণত আমরা মাসে একবার কিংবা দু'বার পানি পাই৷ পানি ব়্যাশন করা হয় কিনা৷ যাতে গাছগুলো বড় বেশি না বাড়ে আর বেশি পানি না খায়, সেজন্য আমরা বসন্তে গাছগুলোকে ছেঁটে দিই৷ রাসায়নিক সারেও কাজ হয়৷''
প্রতি কিলো শুকনো পিচের জন্যে চিন জিয়ান পান প্রায় ছয় ইউরো মতন৷ অর্থাৎ বছরে তাঁর আয় মোট ৫০ হাজার ইউয়ান, বা চার হাজার ইউরো৷
মরুভূমি আরো কাছে চলে আসছে – বছরে চার মিটার করে বাড়ছে৷ তা সত্ত্বেও যে কেন চাষবাসের কাজে ক্রমেই আরো বাধা আরোপ করা হচ্ছে, সেটা বুঝতে পারেন না চিন:
‘‘সরকার আমাদের বাধা দিচ্ছে৷ বালিয়াড়ির কাছে আমার আরো জমি আছে, কিন্তু তা আমি চাষবাস কিংবা পশুপালনের জন্য ব্যবহার করতে পারব না৷ কেননা আমাদের অতি কম পানি দেওয়া হয়৷''
মরুভূমির জাহাজ
কাজেই চিন এবার পর্যটন শিল্পের দিকে নজর ফিরিয়েছেন – এবং একটি উট কিনেছেন৷ চিন জিয়ান ও তাঁর পরিবারবর্গ খামারের প্রাঙ্গণে দশটি গোল তাঁবু খাড়া করেছেন৷ এগুলো টুরিস্টদের ভাড়া দেওয়া হবে৷ দুনহুয়াং-এর প্রায় দু'লাখ বাসিন্দাদের অনেকে সপ্তাহান্তে মরুভূমির চার্ম উপভোগ করতে আসেন৷ পিচফলের বাগানে পিকনিকের পর টুরিস্টরা যান বালিয়াড়িতে হাঁটাচলা করতে৷
শহরের প্রান্তে বালিয়াড়িগুলি টুরিস্টদের খুব প্রিয়৷ উটে চড়া আর স্লেজে চড়ে বালির উপর দিয়ে নীচে নামা ছাড়া এখানে আর একটি দ্রষ্টব্য আছে৷
বালিয়াড়ি এলাকার ঠিক মাঝখানে বাঁকা চাঁদের মতো একটি হ্রদ, যা দু'হাজার বছর যাবৎ মাটির নীচে কোনো অদৃশ্য উৎস থেকে পানি সংগ্রহ করে আসছে৷ এই হ্রদটি বহুদিন ধরে ফটোগ্রাফার সুন কুয়ানহুয়া-র ছবির বিষয়বস্তু:
‘‘আগে হ্রদটা আরো অনেক বড় এবং গভীর ছিল – প্রবীণেরা বলেন, দশ মিটার অবধি গভীর, কোনো মানুষ তার তলদেশ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেনি৷ ইতিমধ্যে হ্রদটা অনেক ছোট হয়ে এসেছে – আর অগভীর; জলের উচ্চতা এখন মাত্র তিন মিটার৷''
দুনহুয়াং-এ ফলের বাগান
তবে পানি কমে আসছে৷ খামারচাষি চিন জিয়ান-এর পিচ ফলের বাগান এখনও সবুজ, কিন্তু মাত্রাধিক কৃষিকাজ আর টুরিস্টদের ভিড়ে ভূগর্ভস্থ পানির মাত্রা ক্রমেই কমে আসছে৷ চিন বলেন:
‘‘সাধারণত আমরা মাসে একবার কিংবা দু'বার পানি পাই৷ পানি ব়্যাশন করা হয় কিনা৷ যাতে গাছগুলো বড় বেশি না বাড়ে আর বেশি পানি না খায়, সেজন্য আমরা বসন্তে গাছগুলোকে ছেঁটে দিই৷ রাসায়নিক সারেও কাজ হয়৷''
প্রতি কিলো শুকনো পিচের জন্যে চিন জিয়ান পান প্রায় ছয় ইউরো মতন৷ অর্থাৎ বছরে তাঁর আয় মোট ৫০ হাজার ইউয়ান, বা চার হাজার ইউরো৷
মরুভূমি আরো কাছে চলে আসছে – বছরে চার মিটার করে বাড়ছে৷ তা সত্ত্বেও যে কেন চাষবাসের কাজে ক্রমেই আরো বাধা আরোপ করা হচ্ছে, সেটা বুঝতে পারেন না চিন:
‘‘সরকার আমাদের বাধা দিচ্ছে৷ বালিয়াড়ির কাছে আমার আরো জমি আছে, কিন্তু তা আমি চাষবাস কিংবা পশুপালনের জন্য ব্যবহার করতে পারব না৷ কেননা আমাদের অতি কম পানি দেওয়া হয়৷''
মরুভূমির জাহাজ
কাজেই চিন এবার পর্যটন শিল্পের দিকে নজর ফিরিয়েছেন – এবং একটি উট কিনেছেন৷ চিন জিয়ান ও তাঁর পরিবারবর্গ খামারের প্রাঙ্গণে দশটি গোল তাঁবু খাড়া করেছেন৷ এগুলো টুরিস্টদের ভাড়া দেওয়া হবে৷ দুনহুয়াং-এর প্রায় দু'লাখ বাসিন্দাদের অনেকে সপ্তাহান্তে মরুভূমির চার্ম উপভোগ করতে আসেন৷ পিচফলের বাগানে পিকনিকের পর টুরিস্টরা যান বালিয়াড়িতে হাঁটাচলা করতে৷
অবশ্য মরুদ্যানে আরো বেশি মানুষ আসার অর্থ আরো পানি খরচ: এই সমস্যার বস্তুত কোনো সমাধান নেই৷ একটা সমস্যা সমাধান করার মানে আরেকটি সমস্যা সৃষ্টি৷
লানঝু-র গবেষণা প্রতিষ্ঠানে ৩০ বছরের বেশি সময় ধরে কাজ করছেন প্রফেসর কুইজান জুন: তাঁর গবেষণার বিষয় হলো মানুষ আর মরুভূমির পারস্পরিক প্রভাব৷ জুন বলেন:
‘‘মূল সমস্যাটা হলো পানি সরবরাহ৷ আগে শুলে আর দাংহে, এই দু'টি নদী ছিল৷ আজ দু'টিই উধাও হয়েছে৷ দুনহুয়াং-এর মানুষজন শত শত বছর ধরে কৃষিকাজ চালিয়েছেন, কাজেই ভূগর্ভস্থ পানি অনেকটা নেমে গেছে৷ সেটাই হবে আগামীতে মূল মাথাব্যথা৷''
প্রফেসর কুইজান জুন-এর ছাত্র-ছাত্রীরা মাটির বিভিন্ন নমুনা নিয়ে পরীক্ষা করে দেখছেন৷ বালিতে পানির অনুপাত চার শতাংশের কম হলে বাতাসে বালিয়াড়ির ক্ষয় হতে থাকবে৷ এর অর্থ, বালিয়াড়িগুলি স্থিতি হারাবে এবং ‘হটতে' শুরু করবে৷
বাতাস চলার করিডর মরুভূমির অগ্রগতি রুখবে বলে আশা করা হচ্ছে৷ প্রথমে খড়ের গাদা দিয়ে কাজ চালানোর চেষ্টা করা হয়েছিল৷ কিন্তু মরুদ্যান শহরের কাছে খড় এখন দুষ্প্রাপ্য৷ কাজেই নতুন বেড়াগুলো প্লাস্টিকের৷ বেড়াগুলোর মধ্যে আবার ঘাস বা ঝোপঝাড় গজালে মাটির ক্ষয় কিছুটা রোখা যাবে৷
কিংবদন্তি বলে, ৭০ কিলোমিটার দূরের ইয়াং-গুয়ান শহরটি নাকি একটি বালির ঝড়ে লুপ্ত হয়৷ দুনহুয়াং-এরও যাতে সেই দশা না ঘটে, সে জন্য সরকার ৬৫ কোটি ইউরো মূল্যের দশ বছরের এক পরিকল্পনা সৃষ্টি করেছেন৷
ইডাহোর পোকাটেলোতে অবস্থিত ক্রেটার্স অব দ্য মুন ন্যাশনাল মনুমেন্ট এ ১৯৯৯ সালের ২২ মে নাসার প্রাক্তন নভোচারী জো এঙ্গেল (বামে) এবং জিন কেরনান (মাঝে) ৩০ বছরের পুরনো ছবির প্রদর্শনী ঘুরে দেখছেন৷ সাথে রয়েছেন ইডাহো রাজ্যের পররাষ্ট্র মন্ত্রী পিট কেনারুসা৷ চাঁদের বুকে হাঁটার কৃতিত্বের অধিকারী সর্বশেষ নভোচারী কেরনান৷
১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই চাঁদের নরম ধুসর বুকে এ্যাপোলো ১১ এর নভোচারীদের একজনের পদচিহ্ন৷ ঐ অভিযানের কমান্ডার নিল এ আর্মস্ট্রং এবং এয়ার ফোর্স কর্নেল এডউইন ই অল্ড্রিন প্রথম চাঁদের বুকে পদার্পণ করেছিলেন৷ চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে তাঁরা পরদিন ২১ জুলাই পৃথিবীতে ফিরে আসেন৷ ১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই মানুষের প্রথম চাঁদে অবতরণের ৪০তম বর্ষপূর্তি উদযাপন করা হচ্ছে এই বছর৷
চাঁদে অভিযানের আট দিন পর ১৯৬৯ সালের ২৪ জুলাই এ্যাপোলো ১১ অভিযানের নভোচারীরা প্রশান্ত মহাসাগরে নিরাপদে অবতরণ করার পর মার্কিন নৌ বাহিনীর কর্মকর্তারা তাঁদেরকে উদ্ধার করছেন৷
১৯৬৯ সালের ১৬ জুলাই ফ্লোরিডার কেপ কেনেডি থেকে চাঁদের উদ্দেশ্যে স্যাটার্ন ফাইভ রকেটে করে এ্যাপোলো ১১ এর উৎক্ষেপণ দৃশ্য৷
১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই এ্যাপোলো ১১ অভিযানের সময় চাঁদের বুকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পতাকা উত্তোলনের পর পাশে দাঁড়িয়ে রয়েছেন নভোচারী এডউইন ই অল্ড্রিন৷ ঐ অভিযানে চাঁদের বুকে প্রথম অবতরণে অল্ড্রিনের সাথি ছিলেন নিল আর্মস্ট্রং৷ কমান্ড মডিউল পরিচালনায় ছিলেন নভোচারী মাইকেল কলিন্স৷ এই অভিযানের মধ্য দিয়ে মহাকাশ অভিযানে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র৷
১৯৬৯ সালে চাঁদে অভিযানের সফলতাকে স্বাগত জানিয়ে বিকিনি পরা জাপানি মেয়েরা রাজধানী টোকিওতে মার্কিন দূতাবাসের সামনে উল্লাস করছে৷
১৯৬৯ সালে মার্কিন নভোচারী নিল আর্মস্ট্রং৷ ১৯৬৯ সালের জুলাই মাসে এ্যাপোলো ১১ এর চন্দ্র অভিযানের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তিনি৷ চাঁদের বুকে পদার্পণকারী প্রথম নভোচারী হিসেবে বিবেচনা করা হয় নিল আর্মস্ট্রংকে৷
আব্রাহাম লিংকনের ২০০তম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষ্যে ২০০৯ সালের ১৮ জুন বক্তৃতা করছেন প্রাক্তন নভোচারী নিল আর্মস্ট্রং৷ চাঁদে অবতরণকারী প্রথম মানুষ হিসেবে কৃতিত্বের অধিকারী আর্মস্ট্রং৷
১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই টেলিভিশনের পর্দায় এ্যাপোলো ১১ এর কমান্ডার নিল আর্মস্ট্রংকে লুনার মডিউল থেকে ধীর গতিতে চন্দ্রপৃষ্ঠে হেঁটে যেতে দেখা যাচ্ছে৷
১৯৬৯ সালে তোলা এ্যাপোলো ১১ অভিযানের তিন নভোচারী৷ বাম দিক থেকে নিল আর্মস্ট্রং, মাইকেল কলিন্স এবং এডউইন ই অল্ড্রিন৷
লানঝু-র গবেষণা প্রতিষ্ঠানে ৩০ বছরের বেশি সময় ধরে কাজ করছেন প্রফেসর কুইজান জুন: তাঁর গবেষণার বিষয় হলো মানুষ আর মরুভূমির পারস্পরিক প্রভাব৷ জুন বলেন:
‘‘মূল সমস্যাটা হলো পানি সরবরাহ৷ আগে শুলে আর দাংহে, এই দু'টি নদী ছিল৷ আজ দু'টিই উধাও হয়েছে৷ দুনহুয়াং-এর মানুষজন শত শত বছর ধরে কৃষিকাজ চালিয়েছেন, কাজেই ভূগর্ভস্থ পানি অনেকটা নেমে গেছে৷ সেটাই হবে আগামীতে মূল মাথাব্যথা৷''
প্রফেসর কুইজান জুন-এর ছাত্র-ছাত্রীরা মাটির বিভিন্ন নমুনা নিয়ে পরীক্ষা করে দেখছেন৷ বালিতে পানির অনুপাত চার শতাংশের কম হলে বাতাসে বালিয়াড়ির ক্ষয় হতে থাকবে৷ এর অর্থ, বালিয়াড়িগুলি স্থিতি হারাবে এবং ‘হটতে' শুরু করবে৷
বাতাস চলার করিডর মরুভূমির অগ্রগতি রুখবে বলে আশা করা হচ্ছে৷ প্রথমে খড়ের গাদা দিয়ে কাজ চালানোর চেষ্টা করা হয়েছিল৷ কিন্তু মরুদ্যান শহরের কাছে খড় এখন দুষ্প্রাপ্য৷ কাজেই নতুন বেড়াগুলো প্লাস্টিকের৷ বেড়াগুলোর মধ্যে আবার ঘাস বা ঝোপঝাড় গজালে মাটির ক্ষয় কিছুটা রোখা যাবে৷
কিংবদন্তি বলে, ৭০ কিলোমিটার দূরের ইয়াং-গুয়ান শহরটি নাকি একটি বালির ঝড়ে লুপ্ত হয়৷ দুনহুয়াং-এরও যাতে সেই দশা না ঘটে, সে জন্য সরকার ৬৫ কোটি ইউরো মূল্যের দশ বছরের এক পরিকল্পনা সৃষ্টি করেছেন৷
চাঁদে অবতরণের ৪০ বছর
চাঁদে অবতরণের ৪০ বছর
১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই লুনার মডিউল থেকে তোলা নভোচারী মাইকেল কলিন্সসহ এ্যাপোলো কমান্ড মডিউলের দৃশ্য৷ এর একটু আগেই নভোচারী নিল আর্মস্ট্রং এবং এডউইন অলড্রিন লুনার মডিউলে করে এ্যাপোলো ১১ থেকে আলাদা হয়ে যান৷ পেছনে চাঁদের পৃষ্ঠতল৷ইডাহোর পোকাটেলোতে অবস্থিত ক্রেটার্স অব দ্য মুন ন্যাশনাল মনুমেন্ট এ ১৯৯৯ সালের ২২ মে নাসার প্রাক্তন নভোচারী জো এঙ্গেল (বামে) এবং জিন কেরনান (মাঝে) ৩০ বছরের পুরনো ছবির প্রদর্শনী ঘুরে দেখছেন৷ সাথে রয়েছেন ইডাহো রাজ্যের পররাষ্ট্র মন্ত্রী পিট কেনারুসা৷ চাঁদের বুকে হাঁটার কৃতিত্বের অধিকারী সর্বশেষ নভোচারী কেরনান৷
১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই চাঁদের নরম ধুসর বুকে এ্যাপোলো ১১ এর নভোচারীদের একজনের পদচিহ্ন৷ ঐ অভিযানের কমান্ডার নিল এ আর্মস্ট্রং এবং এয়ার ফোর্স কর্নেল এডউইন ই অল্ড্রিন প্রথম চাঁদের বুকে পদার্পণ করেছিলেন৷ চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে তাঁরা পরদিন ২১ জুলাই পৃথিবীতে ফিরে আসেন৷ ১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই মানুষের প্রথম চাঁদে অবতরণের ৪০তম বর্ষপূর্তি উদযাপন করা হচ্ছে এই বছর৷
চাঁদে অভিযানের আট দিন পর ১৯৬৯ সালের ২৪ জুলাই এ্যাপোলো ১১ অভিযানের নভোচারীরা প্রশান্ত মহাসাগরে নিরাপদে অবতরণ করার পর মার্কিন নৌ বাহিনীর কর্মকর্তারা তাঁদেরকে উদ্ধার করছেন৷
১৯৬৯ সালের ১৬ জুলাই ফ্লোরিডার কেপ কেনেডি থেকে চাঁদের উদ্দেশ্যে স্যাটার্ন ফাইভ রকেটে করে এ্যাপোলো ১১ এর উৎক্ষেপণ দৃশ্য৷
১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই এ্যাপোলো ১১ অভিযানের সময় চাঁদের বুকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পতাকা উত্তোলনের পর পাশে দাঁড়িয়ে রয়েছেন নভোচারী এডউইন ই অল্ড্রিন৷ ঐ অভিযানে চাঁদের বুকে প্রথম অবতরণে অল্ড্রিনের সাথি ছিলেন নিল আর্মস্ট্রং৷ কমান্ড মডিউল পরিচালনায় ছিলেন নভোচারী মাইকেল কলিন্স৷ এই অভিযানের মধ্য দিয়ে মহাকাশ অভিযানে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র৷
১৯৬৯ সালে চাঁদে অভিযানের সফলতাকে স্বাগত জানিয়ে বিকিনি পরা জাপানি মেয়েরা রাজধানী টোকিওতে মার্কিন দূতাবাসের সামনে উল্লাস করছে৷
১৯৬৯ সালে মার্কিন নভোচারী নিল আর্মস্ট্রং৷ ১৯৬৯ সালের জুলাই মাসে এ্যাপোলো ১১ এর চন্দ্র অভিযানের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তিনি৷ চাঁদের বুকে পদার্পণকারী প্রথম নভোচারী হিসেবে বিবেচনা করা হয় নিল আর্মস্ট্রংকে৷
আব্রাহাম লিংকনের ২০০তম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষ্যে ২০০৯ সালের ১৮ জুন বক্তৃতা করছেন প্রাক্তন নভোচারী নিল আর্মস্ট্রং৷ চাঁদে অবতরণকারী প্রথম মানুষ হিসেবে কৃতিত্বের অধিকারী আর্মস্ট্রং৷
১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই টেলিভিশনের পর্দায় এ্যাপোলো ১১ এর কমান্ডার নিল আর্মস্ট্রংকে লুনার মডিউল থেকে ধীর গতিতে চন্দ্রপৃষ্ঠে হেঁটে যেতে দেখা যাচ্ছে৷
১৯৬৯ সালে তোলা এ্যাপোলো ১১ অভিযানের তিন নভোচারী৷ বাম দিক থেকে নিল আর্মস্ট্রং, মাইকেল কলিন্স এবং এডউইন ই অল্ড্রিন৷

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন