'বাংলাদেশকে যখন ভারত ঋণ দিচ্ছে তখন তারা অবশ্যই নিজেদের স্বার্থ দেখবে' - rangpur news

Breaking

Breaking News

rangpur news

This is news blog site.Here have important online newspaper.if you Concert:MD.Gulam azam sarkar. E-mail:gulamazam@gmail.com Mobil:01735632338

Windows

test banner

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

সোমবার, ৮ জুন, ২০১৫

'বাংলাদেশকে যখন ভারত ঋণ দিচ্ছে তখন তারা অবশ্যই নিজেদের স্বার্থ দেখবে'

'বাংলাদেশকে যখন ভারত ঋণ দিচ্ছে তখন তারা অবশ্যই নিজেদের স্বার্থ দেখবে'



রেডিও তেহরান): নরেন্দ্র মোদির সফরের সামগ্রিক মূল্যায়নের কথা বলতে গেলে একথা বলা যায় বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যেকার আত্মার সম্পর্ক নতুনভাবে দৃশ্যমান হলো।

রেডিও তেহরানের কথাবার্তা অনুষ্ঠানে একথা বললেন বৈশাখী টিভির প্রধান নির্বাহী এবং প্রধান সম্পাদক মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল।


তিনি বলেন, ভারতের ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর নতুন বিজেপি সরকারের বাংলাদেশ সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গি কি হবে তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ছিল। তো নরেন্দ্র মোদির এই সফরে তিনি স্পষ্ট করে বললেন, আমরা শুধু বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার পাশে থাকব না আমরা সঙ্গে থাকব। তাছাড়া নরেন্দ্র মোদির এই সফরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে তিস্তা, সীমান্তে হত্যাসহ বিভিন্ন বিষয় ভারতের কাছে তুলে ধরতে পারল। যদিও আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে বলা হচ্ছে ভারত তাদের চেকবুক ডিপ্লমেসি দিয়ে প্রতিবেশীদের জয় করার চেষ্টা করছে। হ্যাঁ ভারতের দিক থেকে সেরকম একটা লক্ষ্য আছে। তবে ভারতের সাথে অমিমাংসিত বিষয়গুলোর সমাধান হওয়া প্রয়োজন। আর সেক্ষেত্রে বড় অর্জন করলাম সীমান্ত চুক্তির মাধ্যমে।

 বিশিষ্ট এই সাংবাদিক বলেন, দেখুন আধুনিক কূটনীতিতে নানাধরণের টারমিনোলোজি ব্যাবহার করা হয়ে থাকে। আর ভারত এখন যেটা করছে সেটাকে বলা হয় 'চেক বুক ডিপ্লমেসি'। চেকবুকের মধ্য দিয়ে ভারত বা দাতা দেশগুলো বড় অংকের অর্থ দেয় আবার কৌশলে তা তাদের নিজেদের কাছে রেখে দেয়। ভারতের দেয়া ঋণ সম্পর্কে বলব- তারা যখন ঋণ দিচ্ছে তখন অবশ্যই তারা তাদের স্বার্থ দেখবে। তবে বাংলাদেশের মধ্যকার যা কিছু হয়েছে সেটিকে আমি 'বেনিফিট অব কোয়াপেরেশন' বলব। আমরা দুপক্ষকে সহয়তা করছি এবং সেখান থেকে বেনিফিট নিচ্ছি।

বুলবুল আরো বলেন, তিস্তার ব্যাপারে আমাদের সমস্যাটা হচ্ছে পানি পাওয়া- না পাওয়া। আর ভারতের সমস্যা হচ্ছে রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকারের। এটি তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তবে আমরা আমাদের জায়গাটিকে স্পষ্ট করেছি। নরেন্দ্র মোদি স্পষ্ট করে বলেছেন তিস্তার বিষয়টি আমরা মানবিকভাবে দেখতে চাই-এর মধ্যে রাজনীতি জড়াতে চাই না। আগামী বছর পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন হবে। সেখানেও তিস্তা একটি ইস্যু। তবে বিধানসভা নির্বাচনের আগে মমতা ব্যানার্জী তিস্তা বিষয়ে রাজি হবেন বলে আমার মনে হয় না। কারণ এটি তার অভ্যন্তরীণ রাজনীতির ক্ষেত্রে তুরুপের একটি তাস। ফলে ততদিন আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।#

রেডিও তেহরান/জিএআর/৮

কোন মন্তব্য নেই:

Post Top Ad

Responsive Ads Here