নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয় দেশ বিরোধীদের ঘাঁটি: আরএসএস
(রেডিও তেহরান): দিল্লির জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয় বা
(জেএনইউ)কে দেশ বিরোধীধের আখড়া বলে আখ্যা দিল আরএসএস-এর মুখপত্র
‘পাঞ্চজন্য’। জেএনইউ সংক্রান্ত নিবন্ধ লেখকের দাবি, ২০১০ সালে ছত্তিসগড়ের
দান্তেওয়াড়াতে মাওবাদী হামলায় ৭৫ জন সিআরপিএফ জওয়ান নিহত হলে
বিশ্ববিদ্যালয়ের নকশালপন্থী ছাত্র সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে উৎসব পালন
করা হয়েছিল। জেএনইউ প্রশাসনের নাকের ডগায় এসব হয়েছিল বলে দাবি। এখান থেকে
নিয়মিতভাবে জাতীয়তা-বিরোধী কাজকর্ম পরিচালনা করা হয় বলে মুখপত্রটিতে
মন্তব্য করা হয়েছে।
আরএসএস-এর মুখপত্রের দাবি, একটি বড় জাতীয়তা-বিরোধী শ্রেণি এখানে গড়ে উঠেছে যারা দেশকে ভাঙার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। এখানকার শিক্ষকরাও দেশ বিরোধী সংগঠনের মঞ্চে গিয়ে দেশের ঐক্য এবং সংস্কৃতির ক্ষতিসাধন নিয়ে আলোচনা করেন বলেও মুখপত্রের দাবি।
সংঘের মুখপত্রের মতে জেএনইউ এমন একটি প্রতিষ্ঠান যেখানে জাতীয়তাবাদী হওয়াকে অপরাধ বলে মনে করা হয়। ভারতীয় সংস্কৃতিকে বিকৃত করে উপস্থাপন করা এখানে খুব সাধারণ ঘটনা। এখানে কাশ্মির থেকে সেনা সরানোর দাবিকে সমর্থন জানানো হয়।
গত সেপ্টেম্বরে জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন বিজেপি নেতা সুব্রমনিয়াম স্বামী। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে মাওবাদী, ‘জিহাদি’এবং এলটিটিই রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেছিলেন। এখানকার ছাত্র এবং শিক্ষকদেরও নকশাল বলে অভিহিত করেন স্বামী। তার এ ধরণের মন্তব্যের পরে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় সেই সময়। এ ঘটনার মাস খানেক পরেই আরএসএস মুখপত্র পাঞ্চজন্যতে জেএনইউ সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য করা হল।#
রেডিও তেহরান/এমএএইচ/জিএআর/৩
আরএসএস-এর মুখপত্রের দাবি, একটি বড় জাতীয়তা-বিরোধী শ্রেণি এখানে গড়ে উঠেছে যারা দেশকে ভাঙার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। এখানকার শিক্ষকরাও দেশ বিরোধী সংগঠনের মঞ্চে গিয়ে দেশের ঐক্য এবং সংস্কৃতির ক্ষতিসাধন নিয়ে আলোচনা করেন বলেও মুখপত্রের দাবি।
সংঘের মুখপত্রের মতে জেএনইউ এমন একটি প্রতিষ্ঠান যেখানে জাতীয়তাবাদী হওয়াকে অপরাধ বলে মনে করা হয়। ভারতীয় সংস্কৃতিকে বিকৃত করে উপস্থাপন করা এখানে খুব সাধারণ ঘটনা। এখানে কাশ্মির থেকে সেনা সরানোর দাবিকে সমর্থন জানানো হয়।
গত সেপ্টেম্বরে জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন বিজেপি নেতা সুব্রমনিয়াম স্বামী। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে মাওবাদী, ‘জিহাদি’এবং এলটিটিই রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেছিলেন। এখানকার ছাত্র এবং শিক্ষকদেরও নকশাল বলে অভিহিত করেন স্বামী। তার এ ধরণের মন্তব্যের পরে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় সেই সময়। এ ঘটনার মাস খানেক পরেই আরএসএস মুখপত্র পাঞ্চজন্যতে জেএনইউ সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য করা হল।#
রেডিও তেহরান/এমএএইচ/জিএআর/৩

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন