অসহিষ্ণুতা ও আমির: কে কী বলছেন!
রবিনা টন্ডন— ‘যাঁরা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মোদিকে দেখতে চাননি, তাঁরাই এখন সরকারকে ফেলার চেষ্টা করছেন। রাজনীতির জন্য আসলে তাঁরা দেশকেই লজ্জিত করছেন।’
তসলিমা নাসরিন— ‘পৃথিবীর সব জায়গাতেই কম–বেশি অসহিষ্ণুতা রয়েছে। সেলেব্রিটি অভিনেতা আমির খান এবং তাঁর পরিবারের জন্য ভারত সব সময়েই নিরাপদ আশ্রয় হওয়া উচিত।’
রামগোপাল বর্মা— ‘আমির, শাহরুখ, সলমন— তিন মুসলিম দেশের সবথেকে জনপ্রিয় তারকা। এর থেকে কি প্রমাণ হয় না, ভারত সহিষ্ণু!’
পরেশ রাওয়াল— ‘এক জন দেশভক্ত বিপর্যয়ের সময় দেশ ছাড়ার কথা ভাবেন না। এটাকে মাতৃভূমি ভাবলে কখনোই পালানোর কথা বলতাম না। তবে না ভাবলে অবশ্যই বলতাম।’
অশোক পণ্ডিত— ‘মুম্বই ফিল্মোৎসবের নেতৃত্বে থাকেন কিরণ রাও। আমির ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় সুপারস্টার। তাহলে অসিহষ্ণুতা কোথায়?’
রাহুল গান্ধী— ‘মোদিজি বা তাঁর সরকারের বিরুদ্ধে সরব হওয়াদের দেশদ্রোহী বলা বন্ধ করুক সরকার। পরিবর্তে মানুষের কাছে পৌঁছে তাঁদের সমস্যার কথা শুনুন মন্ত্রীরা।’
স্মৃতি ইরানি— ‘ভারত সহিষ্ণু বলেই আমির খান এত কথা বলতে পারছেন।’
শাহনওয়াজ হুসেন— ‘রাহুল গান্ধী এখন আমির খানের হয়ে কথা বলছেন। এর থেকেই স্পষ্ট, দেশকে কলঙ্কিত করার ষড়যন্ত্র চলছে।’
মহেশ ভাট— ‘আমির বা ওঁর স্ত্রী যা বলেছেন খুব স্বাভাবিক। সাধারণ মানুষের কোনও সমস্যা বা ভয় থাকলে তা সমাধানের জন্য সরকারের এগিয়ে আসা উচিত। দেশের পরিস্থিতি সত্যিই বদলে গেছে। আমিরের এই মন্তব্যে রাজনীতি খোঁজা ঠিক নয়। সাধারণ মানুষের বক্তব্য শোনা সরকারের কর্তব্য।’
অরবিন্দ কেজরিওয়াল— ‘আমির খানের বলা প্রত্যেকটি শব্দ সত্যি। এই কথাগুলো বলার জন্য তাঁকে শ্রদ্ধা করি।’
দিয়া মির্জা— ‘আমি দেখছি, আরও একটা মিছিল আসছে। প্রতিবাদের মিছিল, প্রতিবাদের বিরুদ্ধে। প্রতিবাদের প্রতিবাদীদের মিছিল।#সহিষ্ণুতা’

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন