রংপুরে বাবাকে কুপিয়ে জখম
ষ্টাপ রিপোটার: রংপুরের মিঠাপুকুরে রোববার বেআইনিভাবে জমি লিখে না দেয়ার জের ধরে এক স্কুল মাস্টারকে বেধড়কভাবে কুপিয়ে রক্তাত্ব করেছে তার পুত্র ও পুত্রবধূ। আহত অবস্থায় তাকে মিঠাপুকুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের
করেছে নির্যাতিত বাবা।
মিঠাপুকুর থানা পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উপজেলার তনকা মামুদপুর গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক আব্দুস সাত্তারকে দীর্ঘদিন ধরে বেআইনিভাবে জমি জিরেত দলিল করে দেয়ার জন্য চাপ দিয়ে আসছিল পুত্র মিজানুর রহমান মিলন(৪২)ও পুত্রবধূ মিমি(৩৫)। কিন্তু তিনি বেআইনিভাবে অন্য সন্তানদের ঠকিয়ে তাকে জমি লিখে না দিতে অনড় থাকেন। এরই জের ধরে রোববার সকালে ধান সিদ্ধ করার চুলা বানানোকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের মধ্যে সৃষ্ট ঝগড়া মীমাংসা করতে গেলে মিলন ও তার স্ত্রী মিমি স্কুল শিক্ষক আব্দুর সাত্তারের ওপর হামলা চালিয়ে তাকে বেধড়ক কোপায়।
এতে আব্দুস সাত্তারের মাথা ও দুই হাত রক্তাত্ব হয়। আহত অবস্থায় তাকে মিঠাপুকুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়। এ ঘটনায় আহত আব্দুস সাত্তার বাদী হয়ে পুত্র মিজানুর রহমান ও পুত্রবধূ মিমির নামে হত্যা চেষ্টার মামলার অভিযোগ দায়ের করেছেন মিঠাপুকুর থানায়। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
আহত স্কুল শিক্ষক আব্দুস সাত্তার সাংবাদিকদের জানান, আমি যে বাড়িতে থাকি সেটিও আমি দুই পুত্রের নামে লিখে দিয়েছি। কিন্তু মিজানুর তাতেও সন্তুষ্ট না হয়ে আমাকে দীর্ঘদিন ধরে আরো জমি লিখে দেয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করছে। এরই মধ্যে গত আড়াই বছর পূর্বে আমার স্ত্রী মারা গেছে। জমি লিখে না দেয়ায় মিজানুর ও তার স্ত্রী মিমি আমার ওপর বিভিন্নভাবে মানষিক ও শারীরিক নির্যাতন করে আসছে। কিন্তু আমি বলেছি, অবৈধভাবে আমি অন্যদের হক নষ্ট করে জমি লিখে দিবো না।
এরই জের ধরে রোববার আমার বড় পুত্র মাহফুজুর রহমানের সাথে মেজো পুত্র মিজানুর রহমান মিলনের মধ্যে ঝগড়া বাধলে পিতা হিসেবে আমি তাতে বাধা দিতে যাই। এ সময় আমার পুত্র মিজানুর রহমান ও পুত্রবধূ মিমি আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে আমাকে আক্রমণ চালিয়ে জখম করেছে। অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেছে। আমি এর ন্যায় বিচার চাই। যাতে পৃথিবীকে কোন পুত্র তার পিতাকে শারীরিক ও মানষিকভাবে মারধোর ও নির্যাতন করতে না পারে।
আহত স্কুল মাস্টার আব্দুস সাত্তারের বড় পুত্র মাহফুজুর রহমান জানান, ঘটনার সময় আমার ভাই মিলন ও তার স্ত্রী আমাকেও মারধোর করে ও শার্ট ছিড়ে দেয়। এসময় শার্টের মধ্যে ৯ হাজার টাকা ছিল সেটিও তারা নিয়ে সটকে পরে।
প্রত্যক্ষদর্শী শাফিয়ার রহমানের স্ত্রী মনোয়ারা বেগম জানান, মিলন যেভাবে পিতার ওপর আক্রমন চালিয়ে তাঁকে মারডাং করেছে। সেটা দেখে আমরা অবাক হয়েছে। পিতার ওপর এভাবে শারীরিক আক্রমনের বিচার না হলে সবাই পিতাকে অপমান অপদস্ত করবে।
এ ব্যপারে অভিযুক্ত মিজানুর রহমান মিলন ঘটনার পরপরই বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছেন। পুত্রবধূ মিসি জানান, চুলা নিয়ে বিরোধের জের ধরে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে ধস্তধ্বস্তি হয়েছে। তাকে আমরা মারধোর করি নাই।
মিঠাপুকুর থানার অফিসার ইনচার্জ হুমায়ুন কবির জানান, আহত স্কুল শিক্ষক থানায় লিখিত এজহার দায়ের করেছেন। ইতোমধ্যেই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ব্যাপারে যথাযথ আইনিব্যবস্থা নেয়া হবে।
ষ্টাপ রিপোটার: রংপুরের মিঠাপুকুরে রোববার বেআইনিভাবে জমি লিখে না দেয়ার জের ধরে এক স্কুল মাস্টারকে বেধড়কভাবে কুপিয়ে রক্তাত্ব করেছে তার পুত্র ও পুত্রবধূ। আহত অবস্থায় তাকে মিঠাপুকুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের
করেছে নির্যাতিত বাবা।
মিঠাপুকুর থানা পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উপজেলার তনকা মামুদপুর গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক আব্দুস সাত্তারকে দীর্ঘদিন ধরে বেআইনিভাবে জমি জিরেত দলিল করে দেয়ার জন্য চাপ দিয়ে আসছিল পুত্র মিজানুর রহমান মিলন(৪২)ও পুত্রবধূ মিমি(৩৫)। কিন্তু তিনি বেআইনিভাবে অন্য সন্তানদের ঠকিয়ে তাকে জমি লিখে না দিতে অনড় থাকেন। এরই জের ধরে রোববার সকালে ধান সিদ্ধ করার চুলা বানানোকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের মধ্যে সৃষ্ট ঝগড়া মীমাংসা করতে গেলে মিলন ও তার স্ত্রী মিমি স্কুল শিক্ষক আব্দুর সাত্তারের ওপর হামলা চালিয়ে তাকে বেধড়ক কোপায়।
এতে আব্দুস সাত্তারের মাথা ও দুই হাত রক্তাত্ব হয়। আহত অবস্থায় তাকে মিঠাপুকুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়। এ ঘটনায় আহত আব্দুস সাত্তার বাদী হয়ে পুত্র মিজানুর রহমান ও পুত্রবধূ মিমির নামে হত্যা চেষ্টার মামলার অভিযোগ দায়ের করেছেন মিঠাপুকুর থানায়। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
আহত স্কুল শিক্ষক আব্দুস সাত্তার সাংবাদিকদের জানান, আমি যে বাড়িতে থাকি সেটিও আমি দুই পুত্রের নামে লিখে দিয়েছি। কিন্তু মিজানুর তাতেও সন্তুষ্ট না হয়ে আমাকে দীর্ঘদিন ধরে আরো জমি লিখে দেয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করছে। এরই মধ্যে গত আড়াই বছর পূর্বে আমার স্ত্রী মারা গেছে। জমি লিখে না দেয়ায় মিজানুর ও তার স্ত্রী মিমি আমার ওপর বিভিন্নভাবে মানষিক ও শারীরিক নির্যাতন করে আসছে। কিন্তু আমি বলেছি, অবৈধভাবে আমি অন্যদের হক নষ্ট করে জমি লিখে দিবো না।
এরই জের ধরে রোববার আমার বড় পুত্র মাহফুজুর রহমানের সাথে মেজো পুত্র মিজানুর রহমান মিলনের মধ্যে ঝগড়া বাধলে পিতা হিসেবে আমি তাতে বাধা দিতে যাই। এ সময় আমার পুত্র মিজানুর রহমান ও পুত্রবধূ মিমি আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে আমাকে আক্রমণ চালিয়ে জখম করেছে। অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেছে। আমি এর ন্যায় বিচার চাই। যাতে পৃথিবীকে কোন পুত্র তার পিতাকে শারীরিক ও মানষিকভাবে মারধোর ও নির্যাতন করতে না পারে।
আহত স্কুল মাস্টার আব্দুস সাত্তারের বড় পুত্র মাহফুজুর রহমান জানান, ঘটনার সময় আমার ভাই মিলন ও তার স্ত্রী আমাকেও মারধোর করে ও শার্ট ছিড়ে দেয়। এসময় শার্টের মধ্যে ৯ হাজার টাকা ছিল সেটিও তারা নিয়ে সটকে পরে।
প্রত্যক্ষদর্শী শাফিয়ার রহমানের স্ত্রী মনোয়ারা বেগম জানান, মিলন যেভাবে পিতার ওপর আক্রমন চালিয়ে তাঁকে মারডাং করেছে। সেটা দেখে আমরা অবাক হয়েছে। পিতার ওপর এভাবে শারীরিক আক্রমনের বিচার না হলে সবাই পিতাকে অপমান অপদস্ত করবে।
এ ব্যপারে অভিযুক্ত মিজানুর রহমান মিলন ঘটনার পরপরই বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছেন। পুত্রবধূ মিসি জানান, চুলা নিয়ে বিরোধের জের ধরে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে ধস্তধ্বস্তি হয়েছে। তাকে আমরা মারধোর করি নাই।
মিঠাপুকুর থানার অফিসার ইনচার্জ হুমায়ুন কবির জানান, আহত স্কুল শিক্ষক থানায় লিখিত এজহার দায়ের করেছেন। ইতোমধ্যেই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ব্যাপারে যথাযথ আইনিব্যবস্থা নেয়া হবে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন