শরীর প্রদর্শন মানেই কি ধর্ষককে আমন্ত্রণ?-dw.de - rangpur news

Breaking

Breaking News

rangpur news

This is news blog site.Here have important online newspaper.if you Concert:MD.Gulam azam sarkar. E-mail:gulamazam@gmail.com Mobil:01735632338

Windows

test banner

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০১৫

শরীর প্রদর্শন মানেই কি ধর্ষককে আমন্ত্রণ?-dw.de

 শরীর প্রদর্শন মানেই কি ধর্ষককে আমন্ত্রণ?-dw.de

ছোট পোশাক পরাই কি ধর্ষণের কারণ?

যুগের সাথে পোশাক

যুগে যুগে পোশাকের ধরনে পরিবর্তন এসেছে৷ আদিমকালে ছিল পশুর চামড়া, গাছের ছাল আর এখন রয়েছে নানা ধরনের পোশাক৷ বর্তমানে দেশ, সংস্কৃতি, সমাজ ব্যবস্থা, কাজের ধরন, অনুষ্ঠান, পছন্দ ও ফ্যাশানের ভিত্তিতে বহু ধরনের পোশাক পরে থাকেন নারীরা৷


শরীর প্রদর্শন মানেই কি ধর্ষককে আমন্ত্রণ?

ভারতে বেশিরভাগ ধর্ষণ মামলায় দেখা গেছে, ধর্ষিতা সালোয়ার কামিজ
বা শাড়ি পরেছিলেন৷ অর্থাৎ যাকে বলা হয় ভারতীয় নারীর আদর্শ পোশাক, সে ধরনের পোশাকই তাঁরা পরেছিলেন৷ অর্থাৎ এ জরিপ থেকেই প্রমাণিত হচ্ছে যে, শরীর প্রদর্শন না করে বা তথাকথিত ‘আধুনিক’ পোশাক না পরেও শ্লীলতাহানির শিকার হচ্ছেন নারীরা৷

আইনের ভয় নেই

২০১৩ সালে এক জরিপে দেখা গেছে যে, এশীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলোতে প্রতি চারজনের মধ্যে একজন পুরুষ জীবনে অন্তত একবার কোনো নারীকে ধর্ষণ করেছে৷ এর মধ্যে বেশিরভাগ পুরুষকেই কোনো আইনি ঝামেলা পোহাতে হয়নি৷


ধর্ষণ যখন বিনোদনের মাধ্যম

ভারতের উত্তর প্রদেশে ধর্ষণের ঘটনা বেড়েই চলেছে৷ এর কারণ হিসেবে পুলিশ নারীদের উপর পশ্চিমা সংস্কৃতির প্রভাব, মেয়েদের মোবাইল ব্যবহার ও ছোট পোশাক পরিধানকে উল্লেখ করেছে৷ নারীদের নিরাপত্তা দিতে পুরোপুরি ব্যর্থ পুলিশ বলেছে, সেখানকার পুরুষরা তাদের বিনোদনের অভাব পূরণ করছে ধর্ষণের মাধ্যমে৷


নারীদের দাবিয়ে রাখার হাতিয়ার

রাস্তা, অফিস বা যে কোনো পাবলিক প্লেসে পুরুষের যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছেন নারীরা৷ বিশেষ করে পুরুষতান্ত্রিক সমাজ হওয়ায় নারীদের দাবিয়ে রাখতে পুরুষরা ধর্ষণকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে৷

পরিচিতদের দ্বারাই বেশি ধর্ষণ

২০১৩ সালে ভারতের ন্যাশনাল ক্রাইম ব্যুরোর রিপোর্ট বলছে, সে বছর ১০০ জন ধর্ষণের শিকার নারীর মধ্যে ৯৮ জন এমন ব্যক্তিদের দ্বারা ধর্ষিত হয়েছেন, যারা তাঁদের পরিচিত৷ আদালতে যেসব মামলা ওঠে, বা গণমাধ্যমে যেসব ঘটনা প্রকাশ পায় সেগুলো বেশিরভাগই বাইরের লোকের হাতে৷ ফলে পরিচিত ব্যক্তি দ্বারা ধর্ষণের ব্যাপারটি ধামাচাপা পড়ে যায়৷


যৌন নিগ্রহ সর্বত্র

ভারতে জন্মের আগে ভ্রুণের লিঙ্গ নির্ধারণ বেআইনি হলেও, খুব সাধারণ ঘটনা৷ ফলে পৃথিবীর আলো দেখতে পাওয়া মেয়েদের সংখ্যা এত কম যে, সমাজে নারী-পুরুষের অনুপাতে হেরফের হয়৷ এছাড়া বাল্যবিবাহ, কম বয়সে মা হওয়া, সন্তান জন্ম দিতে গিয়েও মৃত্যুবরণ করছেন নারীরা৷ পরিবারের ভেতরেও চলে যৌন নির্যাতন এবং ধর্ষণ৷ এরপরও কি আপনারা ধর্ষণের জন্য পোশাককে দায়ী করবেন?

প্রতিবেদন: অমৃতা পারভেজ



নারী নির্যাতন সম্পর্কে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট

নারী নির্যাতন সম্পর্কে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নতুন রিপোর্ট বলছে, বিশ্বের প্রায় এক তৃতীয়াংশ নারী যৌন নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন অহরহ৷ তার ওপর পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধের যেসব পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে, সেটাও যথার্থ নয়৷ এছাড়া বিশ্বের মোট নারীর ৭ শতাংশ নাকি জীবনের যে কোনো সময় ধর্ষণের শিকার হয়েছেন৷


উন্নত বিশ্বের নারীরাও রেহাই পান না

ধর্ষণ শব্দটি শুনলেই মনে হয় এ ধরণের অপরাধ হয়ে থাকে শুধু অনুন্নত বা উন্নয়নশীল দেশগুলোতে৷ আসলে কিন্তু মোটেই তা নয়৷ সমীক্ষায় দেখা গেছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে ১৫ বছর বয়স হওয়ার আগেই শতকরা ৩৩ জন মেয়ে শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়৷ এমনকি জার্মানির মতো উন্নত দেশের নারীরাও যৌন নিগ্রহ বা ধর্ষণের শিকার হচ্ছেন প্রতিনিয়ত৷


ধর্ষিতা নারীরা জানাতে ভয় পান

জার্মানিতে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত বা ধর্ষিত নারীদের সঠিক পদ্ধতিতে ‘মেডিকেল টেস্ট’-এর ব্যবস্থা করে, এমন একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত স্ত্রী বিশেষজ্ঞ ডা. সোনিয়া পিলস বলেন, ‘‘ধর্ষণের শিকার নারী লজ্জায় এবং আতঙ্কে থাকেন৷ তিনি পুলিশের কাছে গিয়ে সে অভিজ্ঞতা বা ধর্ষক সম্পর্কে তথ্য জানাতে ভয় পান, কুণ্ঠা বোধ করেন৷ অনেকদিন লেগে যায় ধর্ষণের কথা কাউকে বলতে৷

ধর্ষককে ধরার জন্য দ্রুত ডাক্তারি পরীক্ষা

ধর্ষণের পর নারীদের কী করণীয় – এ বিষয়ে জার্মানির ধর্ষণ বিষয়ক নির্দেশিকায় কিছু পরামর্শ দেওয়া হয়েছে৷ যেমন ধর্ষণের পর একা না থেকে কারো সাথে কথা বলা৷ গোসল, খাওয়া, ধূমপান, বাথরুমে যাওয়ার আগে, অর্থাৎ ধর্ষণের চিহ্ন মুঝে না যাবার আগে ডাক্তারি পরীক্ষা করানো৷ এ পরীক্ষা করালে ধর্ষক কোনো অসুখ বা এইচআইভি-তে আক্রান্ত ছিল কিনা, তা জানা সম্ভব৷ নারীর শরীরে নখের আচড় বা খামচি থাকলে ধর্ষকের চিহ্ন সহজেই পাওয়া যায়৷

যাঁরা ধর্ষণের শিকার, তাঁদের জন্য জরুরি বিভাগ

ধর্ষক যেসব জিনিসের সংস্পর্শে এসেছে, অর্থাৎ অন্তর্বাস, প্যাড এ সব তুলে রাখুন৷ ছবিও তুলে রাখতে পারেন৷ নিজেকে দোষী ভাববেন না, কারণ যে ধর্ষণের মতো জঘণ্যতম কাজটি করেছে – সেই অপরাধী, আপনি নন৷ জার্মানির বেশ কয়েকটি শহরের হাসপাতালে যৌন নির্যাতন বিষয়ক আলাদা জরুরি বিভাগ রয়েছে৷ তাছাড়া ধর্ষণ সংক্রান্ত নানা প্রশ্নের উত্তর জানতে রয়েছে ‘গেভাল্ট গেগেন ফ্রাউয়েন’, যেখানে ২৪ ঘণ্টাই টেলিফোন করা যায়৷


গ্রুপ থেরাপি

যৌন নিগ্রহ বা ধর্ষণের শিকার নারীদের মানসিক ও শারীরিক সমস্যা সমাধানের জন্য জার্মানিতে রয়েছে গ্রুপ থেরাপি, যার সাহায্যে নারীরা আবার সমাজে সহজভাবে মিশতে পারেন এবং তাঁদের জীবনে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনাটি সহজে ভুলে যেতে পারেন৷

সবচেয়ে বেশি যৌন অপরাধ হয় বাড়িতেই

ভারতের কোথাও না কোথাও প্রতি ২২ মিনিটে একটি মেয়ে ধর্ষণের শিকার হচ্ছে৷ তাই আদালতের নির্দেশে ভারতের পুলিশ বিভাগ এক সমীক্ষা চালিয়েছিল দিল্লির ৪৪টি এলাকায়৷ চলতি বছরের গত আট মাসে ২,২৭৮টি ধর্ষণ, যৌন নিপীড়ন এবং যৌন অপরাধের তদন্তের ফলাফলে দেখে গেছে: ১,৩৮০টি ক্ষেত্রে অভিযুক্তরা হলেন পরিবারের লোকজন এবং পরিচিতজনেরা৷ অর্থাৎ নিজের বাড়িতেও মেয়েরা নিরাপদ নয়!


সঠিক বিচার চাই

২০১৩ সালের ১৬ই ডিসেম্বর দিল্লিতে গণধর্ষণ ঘটনার পর, ভারতে ঘটা করে বিচার বিভাগীয় কমিশন বসিয়ে ধর্ষণ, যৌন নিগ্রহ দমনে আইন-কানুন ঢেলে সাজানো হয়৷ শাস্তির বিধান আরো কঠোর করা হয়৷ কিন্তু তাতে যৌন অপরাধের সংখ্যা না কমে বরং বেড়েছে৷


বাংলাদেশে ধর্ষণের শিকার

বাংলাদেশে জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশে ২০১১ সালে ৬২০ জন, ২০১২ সালে ৮৩৬ জন, ২০১৩ সালে ৭১৯ জন নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন৷ চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন্ত, অর্থাৎ মাত্র ছ’মাসে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ৪৩১টি এবং এর মধ্যে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৮২ জন৷ তাছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে অপহরণ করে ধর্ষণ এবং পরে হত্যার ঘটনাও অনেক বেড়েছে৷


নারীর পোশাকই কি ধর্ষণের জন্য দায়ী?

বাংলাদেশের একজন পুলিশ কর্মকর্তা একটি মার্কিন সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘‘বাংলাদেশের নারীরা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বেপরোয়াভাবে, বেপর্দায় চলাফেলার কারণে ধর্ষণের শিকার হন৷’’ পুলিশের কর্মকর্তার দাবি, ধর্ষণের দায় প্রধানত নারীদের৷ তাঁর ভাষায়, ‘‘বখাটে ছেলেরা তো ঘোরাফেরা করবেই৷’’ এ কথা শুধু পুলিশ কর্মকর্তার নয়, ভারত-বাংলাদেশের সমাজ ব্যবস্থাই এরকম৷ ধর্ষণ বন্ধ করতে এই মধ্যযুগীয় চিন্তা, চেতনার পরিবর্তন প্রয়োজন৷

বাংলাদেশ

যৌন নিপীড়ন বলতে আইনে যা বলা আছে

ঢাকার একটি স্কুলের প্রথম শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগের পর যৌন নিপীড়ন বিরোধী হাইকোর্টের নির্দেশনা বাস্তবায়নের দাবি উঠেছে৷ আর যৌন নিপীড়নের ব্যাপারে আইনে যা বলা আছে, তাও স্পষ্ট করার কথা উঠছে৷
বিশ্লেষকরা মনে করেন এই বিষয়গুলোর বাস্তবায়ন হলে এধরণের ঘটনা কমে আসবে৷

ঢাকার মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রথম শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের ঘটনা ঘটে গত ৫মে৷ তবে স্কুল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি আমলে না নিয়ে উলটো ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করে৷ আর এতে ক্ষুব্ধ হয়ে অভিভাবকরা গত বুধ ও বৃহস্পতিবার ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেন৷ ফলে তদন্ত কমিটি গঠিত হয়৷ কমিটি নির্ধারিত দিন শনিবার তদন্ত প্রতিবেদন জমা না দেয়ায় স্কুলে ব্যাপক হট্টগোল হয়৷ পরিস্থিতি সামাল দিতে সেদিন স্কুলের উপাধ্যক্ষ জিন্নাতুন নেসাকে সরিয়ে দেয়া হয় তাঁর পদ থেকে৷ রবিবার তদন্ত রিপোর্ট জমা এবং স্কুলের এক চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীকে সাসপেন্ড করা হয়৷ তবে তদন্ত প্রতিবেদনে কী আছে তা প্রকাশ করা হয়নি৷


স্কুলের গভর্নিং বডি এবং তদন্ত কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. ম তামিম ডয়চে ভেলেকে জানান, ‘‘আমরা যৌন নিপীড়নের কোনো প্রমাণ পাইনি৷ আমরা তথ্য পেয়েছি এক কর্মচারী ছাত্রীটির গলায় চাকু ধরেছিল৷ তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে৷ আর তার পরিবারও যৌন নিপীড়নের অভিযোগ করেনি৷ একটি মহল স্কুলের ক্ষতি করার জন্য যৌন হয়রানির ইস্যু তৈরি করছে৷'' কেন ছাত্রীটির গলায় চাকু ধরা হয়েছিল? প্রশ্ন করলে ম তামিম তার কোনো জবাব দিতে পারেননি৷

নারী নেত্রী এবং মানবাধিকার কর্মী অ্যাডভোকেট এলিনা খান ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘এখানেই সমস্যা৷ যৌন নিপীড়ন বলতে আইনে কী আছে তা জানেন না অনেকেই৷ তারা মনে করেন নারী ধর্ষিত না হলে যৌন নিপীড়ন হয় না৷'' তিনি বলেন, ‘‘২০০৩ সালের আইনে অসত্‍ উদ্দেশ্যে নারীর যে-কোনো অঙ্গ স্পর্শ করাই যৌন নিপীড়ন৷ এমনকি নারীর পোশাক ধরে টান দেয়া, ধাক্কা দেয়া এগুলোও যৌন নিপীড়ন৷ এখন প্রশ্ন হচ্ছে ওই কর্মচারী কেন ছাত্রীর গলায় চাকু ধরেছে? তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত বলা যাবে না যে যৌন নিপীড়ন হয়নি৷''

অ্যাডভোকেট এলিনা খান বলেন, ‘‘বাংলাদেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ অফিস, শিল্প কারখানা এমনকি পথেঘাটে, মার্কেটে যৌন নিপীড়নের ঘটনা হরহামেশাই ঘটছে৷ কিন্তু আইন না জানায় আমরা অনেকই তাকে যৌন নিপীড়ন বলছিনা৷''

বাংলাদেশে ২০১০ সালে উচ্চ আদালত যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধে একটি নির্দেশনা দেয়৷ আর তাতে বলা হয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ যেসব প্রতিষ্ঠানে নারী রয়েছেন সেসব প্রতিষ্ঠানে একজন নারীর নেতৃত্বে যৌন নিপীড়ন বিরোধী কমিটি থাকতে হবে৷ আর কমিটির মোট সদস্যদের মধ্যে নারীদের প্রাধান্য থাকতে হবে৷ একটা বাক্সে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ রাখার ব্যবস্থা করতে হবে৷
প্রতি তিনমাস পর ওই বাক্স খুলে যদি কোনো অভিযোগ পান তাহলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবে কমিটি৷ আর তদন্তে গোপনীয়তা রাখতে হবে৷ কেউ চাইলে সরাসরিও কমিটির কাছে অভিযোগ করতে পারবেন৷

কিন্তু হাইকোর্টের নির্দেশনা বাস্তবায়ন হচ্ছে না বলে জানান এলিনা খান৷ তিনি জানান, ‘‘কিছু প্রতিষ্ঠানে এধরণের কমিটি থাকলেও অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানেই নেই৷''

বাংলাদেশ অভিভাবক ঐক্য ফোরামের সভাপতি জিয়াউল কবির দুলু ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিশেষ করে স্কুল এবং কলেজে অনেক যৌন হয়রানির ঘটনা ঘটলেও তা প্রকাশ পায় না৷ স্কুল কলেজের গভর্নিং বডি ধামাচাপা দেয়৷ আর কেউ অভিযোগ করলে অনেক সময়ই উলটো হেনস্তা হতে হয়৷'' তিনি দাবি করেন, ‘‘প্রিপারেটরি স্কুলের প্রথম শ্রেণির ওই ছাত্রীকে স্কুল থেকে টিসি দেয়ার হুমকি দেয়া হয়েছিল৷''

জিয়াউল কবির দুলু বলেন, ‘‘ঢাকা কেন, বাংলাদেশের কোনো স্কুল কলেজেই যৌন হয়রানি প্রতিরোধে কমিটি নেই৷ এটা হওয়া প্রয়োজন৷ আর এর সঙ্গে প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে থাকা প্রয়োজন জেন্ডার নীতিমালা৷''

কোন মন্তব্য নেই:

Post Top Ad

Responsive Ads Here