অন্বেষণ
জঙ্গলের দমকল-DW.DE
দক্ষিণ আফ্রিকার কেপ অঞ্চল৷ এখানকার অরণ্যানীর বৈচিত্র্য বিশ্বখ্যাত৷
কিন্তু অরণ্য যেখানে আছে, সেখানে দাবানলের আশঙ্কাও থাকবে, বিশেষ করে জলবায়ু
যখন ক্রমেই আরো গরম, আরো শুকনো হয়ে উঠছে৷
অরণ্যে দাবানলের ফল ভয়াবহই হয়ে থাকে৷ এ অঞ্চলে আবার প্রায়ই জঙ্গলে
আগুন ধরে৷ ‘কেপ নেচার' সংগঠনের অগ্নি বিশারদ টোনি মার্শাল অগ্নিকাণ্ডের ফলশ্রুতি যাচাই করছেন৷ এক আগুনে পাহাড়ের অর্ধেক গাছপালা সাফ৷ টোনি বলেন, ‘‘জঙ্গলে অগ্নিকাণ্ড বাড়ার তিনটি কারণ আছে৷ প্রথমত, জনসংখ্যা বৃদ্ধি৷ ক্রমেই আরো বেশি মানুষ জঙ্গলের ধারে বাস করছে৷ কাছেই অন্যান্য নানা ধরনের গাছপালা থাকার ফলে আগুন ধরার সম্ভাবনা বাড়ছে৷ এছাড়া আবহাওয়া ক্রমেই আরো গরম আর শুকনো হয়ে উঠছে – অগ্নিকাণ্ড বাড়ার সেটাও একটা কারণ৷''
জঙ্গলে আগুন ধরলে দ্রুত তার মোকাবিলা করতে পারার জন্য ‘কেপ নেচার' সংগঠনের কর্মীরা দিনরাত কাজ করছেন৷ অগ্নিকাণ্ডের বিপদ আছে. এমন সব এলাকা থেকে শুকনো ডালপালা, ঘাসপাতা সরিয়ে ফেলাও তাদের কাজ৷ খুবই পরিশ্রমের৷ টোনি বলেন, ‘‘দমকল কর্মীরা আগুন নেভানোর সময় ইন্টিগ্রেটেড ফায়ার ম্যানেজমেন্ট-এর তিনটি নীতি অনুসরণ করেন: অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধ, যার অর্থ কমিউনিটি কাইন্সেলিং-এর মাধ্যমে জনসাধারণের চেতনা বৃদ্ধি৷ বিভিন্ন এলাকার মানুষদের মধ্যে গিয়ে তাদের শিক্ষা দেওয়া, নানান কথা জানানো৷ সুরক্ষার দিকটা হল ফায়ার ব্রেক – অর্থাৎ জঙ্গলের মধ্যে খালি জায়গা রেখে আগুন যাতে আর না এগোতে পারে, তার ব্যবস্থা করা – এখানে যা করা হচ্ছে৷ অগ্নি নিয়ন্ত্রণ হল আগুন ধরলে, অকুস্থলে গিয়ে তা নেভানোর চেষ্টা৷''
প্রশিক্ষণ ও দৃষ্টিভঙ্গি
স্থানীয় লোকজন এভাবে কাজও পান৷ জঙ্গলে যারা আগুন নেভানোর কাজ করেন, তাদের ভালোমতো প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, যাতে তারা পরে সরকারি দমকল বিভাগগুলিতেও কাজ করতে পারেন৷ এছাড়া তারা কেপ অঞ্চলের বন্য প্রকৃতি সম্বন্ধে অনেক কিছু জানতে পারেন – সাধারণত গাঁয়ের মানুষরা তাদের পারিপার্শ্বিক সম্পর্কে প্রায় কিছুই জানেন না৷ ইয়োঙ্কার্সহুক বেস-এর ক্রু লিডার লুথান্ডো মাঙ্গালিসো বলেন, ‘‘আজ আমার দৃষ্টিভঙ্গী অনেকটা বদলে গেছে, কেননা আমি ‘কেপ নেচার' থেকে আগুন নেভানোর ব্যাপারে অনেক কিছু শিখেছি৷ প্রতিবারই প্রকৃতি সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারি৷ আমাদের এই এলাকায় যে ধরনের গাছ আছে, সেগুলো সম্পর্কে জানতে পেরেছি – আগে যা জানতাম না৷''
কেপ অঞ্চলের মতো উদ্ভিদ বৈচিত্র্য পৃথিবীর খুব কম এলাকাতেই দেখা যায়: প্রায় ন'হাজার বিভিন্ন ধরনের গাছপালা – যা কিনা গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অরণ্যের চেয়েও বেশি৷ কেপ-এর গাছপালার অধিকাংশ আবার শুধু এখানেই জন্মায়৷
সম্পদ ও সংরক্ষণ
এই সম্পদকে বাঁচিয়ে রাখা টোনি মার্শালের জীবনের লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে৷ তিনি বলেন, ‘‘কোনো কারণে এখানকার এই পরিবেশ যদি ধ্বংস হয়ে যায় বা হারিয়ে যায়, তাহলে দুনিয়াটা সত্যিই দরিদ্র হয়ে পড়বে৷ এই সম্পদ বাঁচানো অত্যন্ত জরুরি৷''
সেই কারণে ‘কেপ নেচার' সংগঠন এলাকার খামার মালিকদের আরো বেশিভাবে সংশ্লিষ্ট করার চেষ্টা করছে – যেমন টম টার্নার-এর মতো খামারচাষিদের৷ টম এখানে ওয়াইন তৈরির জন্য আঙুরক্ষেত রাখেন; সে ছাড়াও তাঁর অনেক জমি আছে৷
আগুন ধরে৷ ‘কেপ নেচার' সংগঠনের অগ্নি বিশারদ টোনি মার্শাল অগ্নিকাণ্ডের ফলশ্রুতি যাচাই করছেন৷ এক আগুনে পাহাড়ের অর্ধেক গাছপালা সাফ৷ টোনি বলেন, ‘‘জঙ্গলে অগ্নিকাণ্ড বাড়ার তিনটি কারণ আছে৷ প্রথমত, জনসংখ্যা বৃদ্ধি৷ ক্রমেই আরো বেশি মানুষ জঙ্গলের ধারে বাস করছে৷ কাছেই অন্যান্য নানা ধরনের গাছপালা থাকার ফলে আগুন ধরার সম্ভাবনা বাড়ছে৷ এছাড়া আবহাওয়া ক্রমেই আরো গরম আর শুকনো হয়ে উঠছে – অগ্নিকাণ্ড বাড়ার সেটাও একটা কারণ৷''
জঙ্গলে আগুন ধরলে দ্রুত তার মোকাবিলা করতে পারার জন্য ‘কেপ নেচার' সংগঠনের কর্মীরা দিনরাত কাজ করছেন৷ অগ্নিকাণ্ডের বিপদ আছে. এমন সব এলাকা থেকে শুকনো ডালপালা, ঘাসপাতা সরিয়ে ফেলাও তাদের কাজ৷ খুবই পরিশ্রমের৷ টোনি বলেন, ‘‘দমকল কর্মীরা আগুন নেভানোর সময় ইন্টিগ্রেটেড ফায়ার ম্যানেজমেন্ট-এর তিনটি নীতি অনুসরণ করেন: অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধ, যার অর্থ কমিউনিটি কাইন্সেলিং-এর মাধ্যমে জনসাধারণের চেতনা বৃদ্ধি৷ বিভিন্ন এলাকার মানুষদের মধ্যে গিয়ে তাদের শিক্ষা দেওয়া, নানান কথা জানানো৷ সুরক্ষার দিকটা হল ফায়ার ব্রেক – অর্থাৎ জঙ্গলের মধ্যে খালি জায়গা রেখে আগুন যাতে আর না এগোতে পারে, তার ব্যবস্থা করা – এখানে যা করা হচ্ছে৷ অগ্নি নিয়ন্ত্রণ হল আগুন ধরলে, অকুস্থলে গিয়ে তা নেভানোর চেষ্টা৷''
প্রশিক্ষণ ও দৃষ্টিভঙ্গি
স্থানীয় লোকজন এভাবে কাজও পান৷ জঙ্গলে যারা আগুন নেভানোর কাজ করেন, তাদের ভালোমতো প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, যাতে তারা পরে সরকারি দমকল বিভাগগুলিতেও কাজ করতে পারেন৷ এছাড়া তারা কেপ অঞ্চলের বন্য প্রকৃতি সম্বন্ধে অনেক কিছু জানতে পারেন – সাধারণত গাঁয়ের মানুষরা তাদের পারিপার্শ্বিক সম্পর্কে প্রায় কিছুই জানেন না৷ ইয়োঙ্কার্সহুক বেস-এর ক্রু লিডার লুথান্ডো মাঙ্গালিসো বলেন, ‘‘আজ আমার দৃষ্টিভঙ্গী অনেকটা বদলে গেছে, কেননা আমি ‘কেপ নেচার' থেকে আগুন নেভানোর ব্যাপারে অনেক কিছু শিখেছি৷ প্রতিবারই প্রকৃতি সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারি৷ আমাদের এই এলাকায় যে ধরনের গাছ আছে, সেগুলো সম্পর্কে জানতে পেরেছি – আগে যা জানতাম না৷''
কেপ অঞ্চলের মতো উদ্ভিদ বৈচিত্র্য পৃথিবীর খুব কম এলাকাতেই দেখা যায়: প্রায় ন'হাজার বিভিন্ন ধরনের গাছপালা – যা কিনা গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অরণ্যের চেয়েও বেশি৷ কেপ-এর গাছপালার অধিকাংশ আবার শুধু এখানেই জন্মায়৷
সম্পদ ও সংরক্ষণ
এই সম্পদকে বাঁচিয়ে রাখা টোনি মার্শালের জীবনের লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে৷ তিনি বলেন, ‘‘কোনো কারণে এখানকার এই পরিবেশ যদি ধ্বংস হয়ে যায় বা হারিয়ে যায়, তাহলে দুনিয়াটা সত্যিই দরিদ্র হয়ে পড়বে৷ এই সম্পদ বাঁচানো অত্যন্ত জরুরি৷''
সেই কারণে ‘কেপ নেচার' সংগঠন এলাকার খামার মালিকদের আরো বেশিভাবে সংশ্লিষ্ট করার চেষ্টা করছে – যেমন টম টার্নার-এর মতো খামারচাষিদের৷ টম এখানে ওয়াইন তৈরির জন্য আঙুরক্ষেত রাখেন; সে ছাড়াও তাঁর অনেক জমি আছে৷
সেগুলোতে তিনি আর অন্য ফসল না ফলিয়ে মোটামুটি
ফেলে রেখেছেন – মুক্ত প্রকৃতির জন্য৷ ‘কেপ নেচার' টম টার্নার-কে রাজি করাতে
পেরেছে, জমি ফেলে রাখতে৷ অথচ তাতে টম-এর লাভ বৈ ক্ষতি নেই৷ তিনি বলেন,
‘‘আমরা আসলে গরু-ভেড়া পোষার পরিবর্তে বন্যপ্রাণী সম্পদের সদ্ব্যবহার করছি৷
গরু-ভেড়া শুধু বাজারে বিক্রি করা যায়৷ আমরা বেচি গেম ড্রাইভ, অর্থাৎ
জন্তুজানোয়ার তাড়া করে নিয়ে গিয়ে তাদের ছবি তোলা, পর্যটন সংক্রান্ত পণ্য,
যাতে জীবজন্তু মারা হয় না৷ খামারচাষিদের জন্য তৈরি এই ‘অভিভাবক কর্মসূচি'
খুবই উপকার করেছে৷''
কেরি পার্নেল ‘কেপ নেচার' সংগঠনের ‘অভিভাবক কর্মসূচি'-র দেখাশুনা করেন৷ দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রকৃতি সংরক্ষণের একটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলেন এই সব বেসরকারি খামারচাষি৷ ‘কেপ স্টুয়ার্ডশিপ প্রোগ্রাম'-এর সমন্বয়কারী কেরি পার্নেল বলেন, ‘‘দক্ষিণ আফ্রিকার বিপন্ন পরিবেশ প্রণালীগুলির আশি শতাংশ এই বেসরকারি খামারচাষিদের মালিকানায়৷ কাজেই পশ্চিম কেপ অঞ্চলে সংরক্ষিত এলাকাগুলি বাড়াতে হলে তাদের সংশ্লিষ্ট করতে হবে৷ আমরা গত বারো বছরে ১০২টি অভিভাবকত্ব চুক্তি স্বাক্ষর করিয়েছি – কর্মসূচিটাও ভলোই চলেছে৷''
আরো ‘অভিভাবক' যোগাড় হবে৷ এর ফলে ধীরে ধীরে সরকারি ও বেসরকারি মালিকানার সংরক্ষিত এলাকার একটা ঠাসবুনোট গড়ে উঠছে, যেখানে আফ্রিকার দক্ষিণতম প্রান্তের বিপন্ন জীব ও প্রাণীজগতের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি বাসস্থান সৃষ্টি হবে – যে আনন্দের মূল ভাগী হবে দেশবিদেশের মানুষ৷
প্রতিবেদন: এলিজাবেথ ইয়ান / এনএস
কেরি পার্নেল ‘কেপ নেচার' সংগঠনের ‘অভিভাবক কর্মসূচি'-র দেখাশুনা করেন৷ দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রকৃতি সংরক্ষণের একটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলেন এই সব বেসরকারি খামারচাষি৷ ‘কেপ স্টুয়ার্ডশিপ প্রোগ্রাম'-এর সমন্বয়কারী কেরি পার্নেল বলেন, ‘‘দক্ষিণ আফ্রিকার বিপন্ন পরিবেশ প্রণালীগুলির আশি শতাংশ এই বেসরকারি খামারচাষিদের মালিকানায়৷ কাজেই পশ্চিম কেপ অঞ্চলে সংরক্ষিত এলাকাগুলি বাড়াতে হলে তাদের সংশ্লিষ্ট করতে হবে৷ আমরা গত বারো বছরে ১০২টি অভিভাবকত্ব চুক্তি স্বাক্ষর করিয়েছি – কর্মসূচিটাও ভলোই চলেছে৷''
আরো ‘অভিভাবক' যোগাড় হবে৷ এর ফলে ধীরে ধীরে সরকারি ও বেসরকারি মালিকানার সংরক্ষিত এলাকার একটা ঠাসবুনোট গড়ে উঠছে, যেখানে আফ্রিকার দক্ষিণতম প্রান্তের বিপন্ন জীব ও প্রাণীজগতের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি বাসস্থান সৃষ্টি হবে – যে আনন্দের মূল ভাগী হবে দেশবিদেশের মানুষ৷
জার্মানির বন-জঙ্গল
জাতীয় পার্ক ইয়াসমুন্ড
ইয়াসমুন্ডের এই পার্কটি জার্মানির জাতীয় পার্কগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ছোট পার্ক৷ বিখ্যাত ব়্যুগেন দ্বীপের একেবারে উত্তরে অবস্থিত এই পার্কের সৌন্দর্য পর্যটকদের আকর্ষণ করে, করে মুগ্ধ৷ ইউনেস্কো ২০১১ সালে ইয়াসমুন্ড পার্কটিকে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কারণে বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়৷এলবে নদীর নিসর্গ
প্রকৃতি সৃষ্ট নিসর্গের মধ্যে অন্যতম নদী পরিবেষ্টিত চরগুলি৷ নিয়মিত বন্যা হওয়ার কারণে এই সব চরে গাছপালা এবং পশুপাখিরা আনন্দে বেঁচে থাকে৷ যেমনটা এখানে, ব্রান্ডেনবুর্গের এলবে নদীতে৷ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য এলবে নদীর এই চরটিকে ১৯৭৯ সালে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যর অন্তর্ভুক্ত করা হয়৷হারৎস
জার্মানির মধ্যভাগে অবস্থিত হারৎসের পাহাড়ি অঞ্চল শুধু জার্মানির সবচেয়ে বড় বনভূমি নয়, জার্মানির সবচেয়ে জনপ্রিয় বনাঞ্চলও বটে৷ ১৮২৪ সালে অন্যতম জার্মান লেখক হাইনরিশ হাইনে তাঁর ভ্রমণ কাহিনিতে এই অঞ্চলকে তুলে ধরেন৷ যাঁরা হাঁটতে পছন্দ করেন তাঁদের কাছে জায়গাটি খুবই প্রিয়৷হাইনিশ জাতীয় পার্ক
জার্মানির ট্যুরিঙ্গেন রাজ্যে রয়েছে ‘বুখেন’ বা বীচ গাছে ঘন জঙ্গল৷ এই বনের কয়েকটা গাছ আবার গত ৮০০ বছর ধরে এইভাবে একেবারে সাড়ি দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে৷ এর জন্যই ইউনেস্কো ২০১১ সালে এই বনভূমিকে বিশ্ব প্রাকৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে৷ এখানে বনবিড়ালের মতো অনেক বিরল প্রাণীও দেখা যায়৷স্পেসার্ট
জার্মানির দক্ষিণে অবস্থিত বাভারিয়া এবং হেসেন রাজ্যের মাঝামাঝি একটি পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত এই বনটি৷ আগে স্পেসার্ট ছিল ধনী ও বিশপদের শিকার করার জায়গা৷ শুধু তাই নয়, ঊনিশ শতকে এই জঙ্গলেই আস্তানা গড়েছিল জার্মানির কুখ্যাত ডাকাতরা৷ ১৮২৭ সাল থেকে ‘‘দাস ভির্টহাউস ইম স্পেসার্ট’’ নামে পরিচিতি লাভ করে এই ঘন বনাঞ্চল৷ব্ল্যাক ফরেস্ট
ব্ল্যাক ফরেস্ট বা কৃষ্ণ অরণ্য নিয়ে নানা রকম ভূতের গল্প প্রচলিত আছে জার্মানিতে৷ আছে এই জঙ্গলের নামে একটি কেক-ও৷ সে জন্যই হয়ত এই কৃষ্ণ অরণ্যের জাতীয় পার্কের মর্যাদা পাওয়া উচিত বলে মনে করেন অনেকে৷ আবার অন্যদের আশঙ্কা, জাতীয় পার্ক হলে এখান থেকে আর ফল সংগ্রহ বা গাছ কাটা যাবে না – জার্মানিতে পরিবেশ রক্ষা সত্যিই যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়!বাভারিয়ার জাতীয় পার্ক
রাখেল লেক বাভারিয়ার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ হ্রদের মধ্যে একটি৷ লেকটি ঘিরে প্রায় ১০৭০ মিটার এলাকা জুড়ে অবস্থিত এই বন, যেখানে গত কয়েক দশকে একটি গাছও কাটা হয়নি৷ খুবই নিরিবিলি ও শান্ত পরিবেশ এখানে৷ তাই হাঁটার জন্যও খুব উপযোগী এই অঞ্চল৷ ১৯৭০ সালে এই পার্কটিকে জার্মানির প্রথম জাতীয় পার্ক হিসেবে ঘোষণা করা হয়৷জাতীয় পার্ক ব্যার্শটেসগাডেন
এটা আলপস পর্বতমালায় অবস্থিত জার্মানির একমাত্র জাতীয় পার্ক৷ পার্কটি উচ্চ পাহাড়ি অঞ্চলে অবস্থানের কারণে পর্যটকরা এখানে এলে বিরল প্রাণীর দেখা পান৷ তাই তো পক্ষীপ্রেমী আর বন্যপ্রাণী গবেষকদের জন্য এটা দারুণ একটা জায়গা৷প্রতিবেদন: এলিজাবেথ ইয়ান / এনএস

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন