, “ কারো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে মতামত প্রকাশ করা উচিত না। সেটা যে ধর্মেরই হোক ”BBC NEWS
বাংলাদেশে বিভিন্ন সময় ব্লগারদের
হত্যা করা হলেও রাজনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবার আশংকায় সরকার জোরালো
পদক্ষেপ নিচ্ছে না বলে অনেকেই অভিযোগ তুলছেন। অভিযোগ রয়েছে যেসব ব্লগার
খুন হয়েছেন তাদের কিছু লেখা ইসলাম বিরোধী বলে পরিচিত। শনিবার ঢাকায়
বিবিসি বাংলাদেশ সংলাপে কয়েকজন বলেছেন পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে সরকার
এবিষয়ে শক্ত কোন পদক্ষেপ নিতে আগ্রহী নয়।
অন্যতম প্যানেলিষ্ট
বেসরকারি সংস্থা উবিনীগের নির্বাহী পরিচালক ফরিদা আখতার বলেন ব্লগারদের উপর
হামলা বন্ধে সরকার আসলেই ব্যর্থ হচ্ছে।
সম্প্রতি ব্লগার হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেয়া সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন যে তাঁরা চান না সরকারকে কেউ নাস্তিক হিসেবে চিহ্নিত করুক।
ফরিদা আখতার বলেন , “এখনও পর্যন্ত অভিজিতের প্রকৃত হত্যাকারীদের ধরা যায়নি। সজীব ওয়াজেদ জয়ের কথা থেকেও বোঝা যাচ্ছে যে সরকার তার রাজনৈতিক ক্যালকুলেশনের কারনে হত্যাকারীদের ধরতেও চাচ্ছে না।”
অনুষ্ঠানের আরেকজন প্যানেলিষ্ট পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক মুহাম্মদ নুরুল হুদা বলেন শাহবাগে যুদ্ধাপরাধের বিচারের দাবীতে যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল সেটিকে ‘নাস্তিকদের’কর্মসূচী বলে একটি অংশ প্রচারণা চালিয়েছিল।
সজীব ওয়াজেদ জয়ের মন্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে মি: হুদা বলেন , “যখন একজন প্রধানতম রাজনৈতিক দলের প্রধান এ ধরনের অভিযোগ করেন, স্বাভাবিকভাবে তার তো একটা রাজনৈতিক দিক থাকে। ” তবে ব্লগার হত্যাকাণ্ডের বিচারের বিষয়ে সরকার ব্যর্থ হচ্ছে বলে মনে করেন না মি: হুদা।
অনুষ্ঠানের আরেকজন প্যানেলিষ্ট বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ইনাম আহমেদ চৌধুরী বলেন রাজনৈতিক হিসেব-নিকেশ না করে হত্যাকাণ্ডকে অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। তিনি মনে করেন ‘মতামতের অধিকার’ প্রকাশ করতে গিয়ে ব্লগাররা ‘আত্মাহুতি’ দিয়েছেন।
তিনি বলেন “বিভিন্ন অ্যাকশনের মধ্য দিয়ে সরকার প্রমাণ করেছে যে জঙ্গিবাদ বা মৌলবাদের বিরুদ্ধে তাঁদের অবস্থান।”
মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং ধর্মীয় অনুভূতি
বাংলাদেশ সংলাপে একজন দর্শক প্রশ্ন করেন কারও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা যদি অন্যের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে তাহলে সেটি কতটা গ্রহণযোগ্য?
গত কয়েকমাসে কয়েকজন ব্লগার হত্যার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ সংলাপে এক প্রশ্নের জবাবে মি: ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন অন্যের অনুভূতির উপর যদি আঘাত আসে সেটি একটি অপরাধ।
তিনি বলেন, “যারা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করছে তারা যেমন অপরাধ করছে, আবার ধর্মান্ধ হয়ে যারা ব্লগারদের উপর আঘাত করছে সেটাও অপরাধ।” তিনি বলেন মতপ্রকাশের স্বাধীনতার নির্দিষ্ট সীমারেখা আছে।
এ বিষয়টিতে অনুষ্ঠানের অন্যান্য আলোচকরা তাঁর সাথে একমত পোষণ করেন।
উবিনীগের নির্বাহী পরিচালক ফরিদা আখতার মনে করেন ধর্মীয় বিষয়কে কটাক্ষ করলে একজন সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষের অনুভূতিতে আঘাত লাগতে পারে।
তিনি বলেন ধর্মীয় বিষয় নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে যাতে আঘাত না লাগে সেদিকে অবশ্যই নজর দিতে হবে।
ফরিদা আখতার বলেন , “যারা ধর্মপ্রাণ কিন্তু মৌলবাদী নয় তার যদি মনে হয় যে রসুলের নামে কিছু বললে তার নামে কষ্ট লাগছে, সে ধরনের কথা মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পর্যায়ে পড়ে কিনা এটা বিবেচনা করতে হবে।”
অন্যতম আলোচক নুরুল হুদা বলেন তিনি মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ন্ত্রণের পক্ষে না। তবে মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগলে কিভাবে তা প্রতিক্রিয়া হয় সেটা রাজনীতিবিদরা আরও ভালো বুঝবেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
মি: হুদা বলে অনেক সময় মতপ্রকাশের নামে উদ্দেশ্যমূলকভাবে মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার চেষ্টা হয়। মি: হুদা বলেন, “ইউরোপে ইহুদি মতবাদের বিপক্ষ কিছু বলা যায় না।”
আরেকজন আলোচক বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ইনাম আহমদ চৌধুরী বলেন মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সুযোগে যেন ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত না আসে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। কিন্তু কাউকে মেরে ফেলা হবে সেটা কিছুতেই সমর্থন যোগ্য নয়।
ব্লগে ইসলাম ধর্ম নিয়ে যা লেখা হচ্ছে তা পত্রিকায় পড়েছেন বলে উল্লেখ করে একজন দর্শক বলেন “তাঁদের লেখাগুলিতে ধর্মীয় আঘাত দেয়া হচ্ছে, এটা বন্ধ করা উচিৎ।”
সালাহউদ্দিন আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রসঙ্গ
অনুষ্ঠানে কাজী মহিউদ্দিন নামে একজন দর্শক প্রশ্ন করেন ভারতে গ্রেফতার হওয়া বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়টি কি সরকারের বিশেষ বিবেচনার দাবী রাখে?
তিনি বলেন, “সালাহউদ্দিন আহমেদ স্বেচ্ছায় সেখানে যাননি এবং তিনি যেহেতু একজন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সেজন্যে সরকারের এক্ষেত্রে বিশেষ দায়িত্ব রয়েছে।”
বিএনপির একজন নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদের নিখোঁজ হবার দুই মাস পর ভারতের শিলংয়ে তাঁকে পাওয়া নিয়ে নানা বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে বিভিন্ন মহলে।
আলোচক নুরুল হুদা বলেন ভারতে মামলা থাকার কারনে এটি তদন্ত এবং বিচার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে এবং এই প্রক্রিয়া শেষ না পর্যন্ত নিশ্চিত কিছু বলা যাবে না। তিনি বলেন সালাহউদ্দিন আহমেদ যেহেতু বাংলাদেশের একজন নাগরিক সেজন্য রাজনৈতিক পর্যায় থেকে এটা বিবেচনা করতে পারে।
এ প্রসঙ্গে ফরিদা আখতার বলেন সালাউদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে এদেশেই তার বিচার হওয়া দরকার।
তিনি বলেন, “সালাহউদ্দিন আহমেদের ভারত যাওয়া নিয়ে সরকারের নেতারা যেসব মন্তব্য করছেন তাতে করে তাঁর সীমান্ত পার হবার সাথে সরকারের সম্পৃক্ততা বা দায় বর্তায়।”
এ বিষয়ে ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, সালাহউদ্দিন আহমেদ নিখোঁজ হবার পর বিএনপির পক্ষ থেকে সরকারকে দায়ী করা হয়েছিল। এখন বিএনপির সে বক্তব্য প্রত্যাহার করা উচিত বলে মি: চৌধুরী মন্তব্য করেন। তিনি বলেন , “ভারতে পাসপোর্ট ছাড়া অনুপ্রবেশের দায়ে যেহেতু তিনি এখন অপরাধী সেটার বিচার ভারত করবে।” তিনি বলেন সালাহউদ্দিন আহমেদকে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকার চেষ্টা করছে এবং সেজন্য উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তবে কি ধরনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে সেটি নির্দিষ্ট করে বলেননি মি:ইকবাল সোবহান চৌধুরী।
তিনি বলেন, “তাঁর (সালাহউদ্দিনের) আবির্ভাবের মধ্য দিয়ে সরকার অন্তত একটি জায়গাতে মুক্ত হয়েছে। স্বস্তি পেয়েছে।”
মানবপাচার প্রসঙ্গে বাংলাদেশের কি করা উচিৎ
মোঃ আলমগীর হোসেন প্রশ্ন করেন সমুদ্রপথে মালয়েশিয়াগামীদের বাঁচাতে এবং ভবিষ্যতে এ ধরণের অবৈধ অভিবাসন বন্ধে বাংলাদেশের কি করা উচিত?
এ বিষয়ে ফরিদা আখতার বলেন এ প্রবণতা বন্ধ করতে বিদেশে বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে।
মুহাম্মদ নুরুল হুদা বলেন অবৈধ অভিবাসন কিংবা পাচারের পেছনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ‘কিছুটা ব্যর্থতা’ আছে। তবে মূল বিষয়টি অর্থনৈতিক। মি: হুদ বলেন বৈধ পথে যাবার সুযোগ বাড়লে এবং দেশের ভেতরে কর্মসংস্থান তৈরি হলে এই প্রবণতা কমে আসবে।
পাচার হওয়া মানুষেরা অর্থনৈতিক উন্নতির আশায় চলে যান ও সমস্যা হবার আগ পর্যন্ত তাঁরা নিজেদের পাচারকৃত মনে করেন না বলে উল্লেখ করেন নুরুল হুদা। তিনি বলেন, এক্ষেত্রে সীমান্ত প্রহরীদের এবং “আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকলাপ আরও জোরদার করা উচিৎ।”
ইনাম আহমদ চৌধুরী এ প্রসঙ্গে বলেন সীমান্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অপারগতা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ না থাকায় মানুষ সমুদ্র পাড়ি দিচ্ছে। তিনি বলেন এভাবে সমুদ্রে ভাসতে থাকা বাংলাদেশীদের চিত্র দেশের ভাবমূর্তিও নষ্ট করছে।
ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন , “শুধু আমাদের দেশের আইনশৃঙ্খলার বাহিনীর ব্যর্থতা কেন হবে? থাইল্যান্ডে কিভাবে অনেকের গণকবর পাওয়া পাওয়া গেল?”
তিনি বলেন মানব পাচার বন্ধের জন্য সরকার চেষ্টা করছে। সেজন্য কিছু মানবপাচারকারী ‘বন্দুকযুদ্ধে নিহত’ হয়েছে এবং আরও অনেককে আটক করা হয়েছে বলে মি: ইকবাল সোবহান চৌধুরী উল্লেখ করেন।
বাংলাদেশের মতো একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে মুক্তচিন্তার নামে এভাবে মুসলিমদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়া কতোটা যুক্তিসংগত?
আবুল হোসেন আকাশ, রংপুর,বাংলাদেশ
আমি মনে করি, ব্লগ বা অন্য কোন মিডিয়া তে ধর্ম নিয়ে বিরূপ লেখালেখি নিষিদ্ধ করা উচিত।
md mohiuddin mamun, saham Oman
বিএনপি আপাতত শেষ!! তারা যেটা করে সেটাই ভূল প্রমানিত হয়।
মোঃ মুফরাত, বাংলাদেশ
ধর্মানুভূতি কি শুধুই মুসলমানদের জন্য? হিন্দু বা বৌদ্ধদের কোনই ধর্মানুভূতি নাই? বাংলাদেশে হিন্দু-বৌদ্ধদের প্রতিদিনই মন্দির ভাঙ্গা হয়। তাদের বাড়ি ঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। ধর্ষণ করা হয়। বাহ্ কি সুন্দর দেশে বাস করি। শুধুই মুসলমানেরই ধর্ম আছে। তাদের জন্য আইন আছে। কোথায় থাকে সরকার, কোথায় থাকে আইন, কোথায় থাকেন সবাই? এই ধর্মের দোহাই দিয়ে একের পর এক প্রতিভাবানদের হত্যা করা হচ্ছে। দেশটা মেধাশূন্য হয়ে যাচ্ছে। এবার আমাদের জাফর ইকবাল স্যারের দিকে নজর দেওয়া হয়েছে। এখন ধর্মানুভূতির আঘাতের নামে হয়তো তাকেও একদিন খুন করা হবে। এ দেশে এও সম্ভব। সরকার কিচ্ছু করবেনা।
ফলো দ্যা লাইট (ছদ্মনাম), বাংলাদেশ
শুধু ব্লগার নয় সব হত্যার বিচার হওয়া দরকার।
Ratan Kumer Roy, Rajshahi
ব্লগারদেরকে অবশ্যই মুখ শামলে কথা বলতে হবে... এটাই সমাধান
Shafiuzzaman Nantu, United Arab Emirates
যখনি ব্লগার হত্যাকান্ড ঘটে তখন আনছারুল্লা বাংলা টীম নামে আজগুবি সংগঠন এর দায় স্বীকার করে! আদৌ কি এর কোন অস্তিত্ব আছে? অভিজিৎ হত্যা হল তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয়ে, অনন্ত বিজয় হত্যাকান্ড ঘটল সাংসদের বিরুদ্ধে লেখার পর! বাংলা টীম নাকি ইংলিশ টীম পরে আর কোন খবর থাকেনা!
NH Sarkar
আমি আওয়ামী সরকার বিরোধি তবে জয় যে কথা বলেছে তার সাথে সহমত প্রকাশ করি । এই ব্লগাররা দেশে ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করে , ধর্মের বিরুদ্ধে লিখে দেশের পরিবেশ ঘোলাটে করতে চায় যা কোন ভাবেই কাম্য নয় । রাসুলের (স) বিরুদ্ধে কুত্সা রাটাবে আর তারা বহাল তবিয়তে থাকবে এটা হতে পারেনা ।
Kaium Matubbar, Dhaka
রাজনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবার আশংকায় ব্লগার হত্যাকারীদের ধরতে জোরালো পদক্ষেপ নিচ্ছে না সরকার? খুবই আশংকার কথা। সরকার কি তবে দুই নৌকায় পা দিতে চাইছে?
Mithun Chakma Jumma
বিচার হলে তো আর রাজনীতি জমবে না।
Shajalal Jony, Dhaka
কথিত ব্লগাররা কাপুরুষ, তাদের যদি এতই যুক্তি জানা থাকে তবে আমার সাথে বিতর্কে আসতে ওপেন চ্যালেঞ্জ দিলাম, আমি কোন কোরানের আয়াত উদ্ধৃতি না দিয়ে, ওদের সাথে বৈজ্ঞানিক ভাষায় কথা বলব, শর্ত একটাই লজিক জানতে হবে এবং মানতে হবে।
Hasanuzzaman Hirok
যারা লেখালেখি করে তারা সবাই ব্লগার কিন্তু তারা সবাই নাস্তিক বা ধর্ম কটাক্ষকারী না। নাস্তিকরা কলমের মাধ্যমে সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। তবে এই জন্য হত্যা সমর্থনযোগ্য নয় কখনও।
আসাদুল আমীন পলাশ
আমরা জনগন এখন দর্শক,আমরা পুতুল নাচ দেখছি।
Mahatab Khan, Faridpur
তোরা যে যাই বলিস ভাই, ক্ষমতার যেন ক্ষতি না হয় আমি করব সেটাই।
Abid Ali, Rajshahi
ব্লগে লেখা খারাপ না, তবে ব্লগে খারাপ করে লেখাটা খারাপ। মুক্তমত বলে ইসলাম ধর্মের বিরুদ্ধে আজেবাজে কথা লিখবে, এমন হতে পারেনা। Shakil Sojan
কারও ধর্মে আঘাত দেয়া ঠিক না। আমার মনে হয় যদি ব্লগাররা ইসলামবিরোধী লেখা না লিখত তাহলে একজন ব্লগারও মারা যেত না।
Abdullah Al Mamun, Dhaka
ব্লগার দের হত্যা করা অন্যায়,নাস্তিক দেরও বাঁচার অধিকার আছে।
কি যে করি (ছদ্মনাম)
বিচার আটকে আছে সমস্যা নাই। ওদের হত্যা করা না আটকালেই হয়। কারন ওদের দু একজন এর মন্তব্য এর জন্যে পুরা দেশের মানুষের মাঝে অশান্তি হয়।
Abdul Halim Vai, Kuala Lumpur, Malaysia
সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নবোধক। এই Blogger রা নাকি ইসলাম নিয়ে অপপ্রচার চালায়। আমি জানি না কারন আমি পড়ি নাই। যাই হোক যদি সঠিক হয় তাহলে সরকার কেন তাদেরকে মনিটরিং করছে না। ধর্ম নিয়ে উস্কানিমূলক মূলক কোন কাজ করলে আমাদের দেশের আইন আছে।
Anwar Salim Shalu
ব্লগারদের কাজ শুধু কি ইসলাম ধর্ম নিয়ে কথাবলা? ইসলাম ধর্মের উপরে এদের এতো বিদ্বেষ কেন?
Md Tahasin, Dhaka
সালাহউদ্দিন আহমেদকে দেশের বাইরে পাওয়া এটাও কি সরকারের একটা ব্যর্থতা নয়?
Golam Farooq, Arad, Al Muharraq, Bahrain
AL again has killed another blogger as the blogger dared to criticize the local MP and local ChatroLeague. AL's killing of Ovitjit is still not resolved while they kill another one in order to blame the opposition so that they can get some support from the west.
Rakibull Hassan
ইসলাম সাম্যের ধর্ম, হাতের বদলে হাত, মাথার বদলে মাথা তাই জানতাম। কিন্তু কলমের বদলে কলম না হয়ে জঙ্গিরা কেন চাপাতি ব্যবহার করছে? আর সেটার ব্যাখ্যা ও দিচ্ছে না কেন?
বেচারা মডারেট (ছদ্মনাম)
সরকার নিজের স্বার্থে সবকিছু করতে পারে প্রয়োজনে দেশকে বিক্রি করবে এবং জনগণকে বলির পাঠা বানাবে।
Abdur Rokib, Sylhet
সাধারণ জনগণের জন্য মতপ্রকাশের সীমারেখা আছে। কিন্তু ক্ষমতায় যারা আছে তাদের জন্য কোন সীমারেখা নেই।
Julhas Mia
কারো ধর্মতে আঘাত দেয়া আমি যুক্তিসংগত মনে করি না।
Shah Heru, সিলেট, বাংলাদেশ

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন