যুক্তরাষ্ট্রে
একটি কনফারেন্সে মুহাম্মদ (স.)র কল্পিত কার্টুন ছবি প্রদর্শনের সময়
পুলিশের গুলিতে দুই বন্দুকধারী নিহত হয়েছে। এঘটনায় আহত হয়েছে আরো একজন
নিরাপত্তাকর্মী। রবিবার যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের গারল্যান্ডের কলওয়েল
সেন্টারে এঘটনা ঘটে। রবিবারের এই ইভেন্টে ১০ লাখ ডলার মূল্যের হজরত
মুহাম্মদ (স.) এর কার্টুন ছবি প্রদর্শন করা হয়। এই কার্টুনগুলোতে অনেক
মুসলমানদেরকে অবমাননা করা হয়েছে। এসময় পুলিশ কার্টিসগুলো রেখে দেয় এবং
কার্টুন প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারীদেরকে এ স্থান ত্যাগ না করতে বলে।
এসম্মেলনে নেদারল্যান্ডের ইসলাম বিরোধী রাজনীতিবিদ গীর্ট ওয়েল্ডার উপস্থিত ছিলেন। সম্মেলনে পুলিশের গুলিতে দুই বন্দুকধারী নিহতের পর ওয়েল্ডার নিরাপদভাবেই সেখান থেকে বের হয়ে আসতে পেরেছে বলে তিনি তার টুইট বার্তার মাধ্যমে জানিয়েছেন। তবে কারা এঘটনার সঙ্গে জড়িত তা এখনো পরিষ্কার নয়। একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, সম্মেলন কেন্দ্রের পাশ দিয়ে একটি গাড়ি অতিক্রম করার তিনি ২০টি গুলির শব্দ শুনেছেন। নবীর কার্টুন নিয়ে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে সাম্প্রতিক হামলা ও হত্যাকাণ্ডের পর যুক্তরাষ্ট্রে এ ঘটনা ঘটল।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, দুই অস্ত্রধারী একটি গাড়িতে করে এসে প্রদর্শনী কেন্দ্রের বাইরে নামে এবং নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এক কর্মকর্তার দিকে গুলি শুরু করে। এরপর গারল্যান্ড পুলিশ পাল্টা গুলি চালালে দুই বন্দুকধারী নিহত হয়। অনলাইনে শহর কর্তৃপক্ষের দেওয়া এক বার্তায় জানানো হয়, এ ঘটনায় আহত পুলিশ সদস্য আশঙ্কামুক্ত। তবে হামলাকারীদের পরিচয় বা তাদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ধারণা দিতে পারেনি গারল্যান্ড পুলিশ।
ডালাসে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করে আমেরিকান ফ্রিডম ডিফেন্স ইনিশিয়েটিভ নামের একটি সংগঠন, যারা নিউ ইয়র্কে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের কাছে ইসলামিক সেন্টার নির্মাণের বিরোধিতা করেছিল। গারল্যান্ডের যে প্রদর্শনী কেন্দ্রে রবিবারের কার্টুন প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়, সেখানেই গত জানুয়ারিতে স্থানীয় একটি ইসলামিক সেন্টারের জন্য তহবিল সংগ্রহের অনুষ্ঠান হয়েছিল। সে সময় এর বিরোধীরা কার্টিস কুলওয়েল সেন্টারের বাইরে বিক্ষোভও দেখিয়েছিল।
ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী, নবীর ছবি আঁকা নিষিদ্ধ। ২০০৬ সালে ডেনমার্কের জাইল্যান্ডস -পোস্টেন নামের একটি পত্রিকা মুহাম্মদকে (স.) নিয়ে কার্টুন প্রকাশ করলে ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। চলতি মাসের জানুয়ারিতে প্যারিসে একই ধরনের কার্টুন প্রকাশ করায় ফরাসি বিদ্রুপ ম্যাগাজিন শার্লি এবদুতে হামলা চালিয়ে ১২ জনকে গুলি করে হত্যা করে দুই বন্দুকধারী। - See more at: http://www.kalerkantho.com/online/world/2015/05/04/217900#sthash.we8AX25M.dpuf
এসম্মেলনে নেদারল্যান্ডের ইসলাম বিরোধী রাজনীতিবিদ গীর্ট ওয়েল্ডার উপস্থিত ছিলেন। সম্মেলনে পুলিশের গুলিতে দুই বন্দুকধারী নিহতের পর ওয়েল্ডার নিরাপদভাবেই সেখান থেকে বের হয়ে আসতে পেরেছে বলে তিনি তার টুইট বার্তার মাধ্যমে জানিয়েছেন। তবে কারা এঘটনার সঙ্গে জড়িত তা এখনো পরিষ্কার নয়। একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, সম্মেলন কেন্দ্রের পাশ দিয়ে একটি গাড়ি অতিক্রম করার তিনি ২০টি গুলির শব্দ শুনেছেন। নবীর কার্টুন নিয়ে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে সাম্প্রতিক হামলা ও হত্যাকাণ্ডের পর যুক্তরাষ্ট্রে এ ঘটনা ঘটল।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, দুই অস্ত্রধারী একটি গাড়িতে করে এসে প্রদর্শনী কেন্দ্রের বাইরে নামে এবং নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এক কর্মকর্তার দিকে গুলি শুরু করে। এরপর গারল্যান্ড পুলিশ পাল্টা গুলি চালালে দুই বন্দুকধারী নিহত হয়। অনলাইনে শহর কর্তৃপক্ষের দেওয়া এক বার্তায় জানানো হয়, এ ঘটনায় আহত পুলিশ সদস্য আশঙ্কামুক্ত। তবে হামলাকারীদের পরিচয় বা তাদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ধারণা দিতে পারেনি গারল্যান্ড পুলিশ।
ডালাসে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করে আমেরিকান ফ্রিডম ডিফেন্স ইনিশিয়েটিভ নামের একটি সংগঠন, যারা নিউ ইয়র্কে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের কাছে ইসলামিক সেন্টার নির্মাণের বিরোধিতা করেছিল। গারল্যান্ডের যে প্রদর্শনী কেন্দ্রে রবিবারের কার্টুন প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়, সেখানেই গত জানুয়ারিতে স্থানীয় একটি ইসলামিক সেন্টারের জন্য তহবিল সংগ্রহের অনুষ্ঠান হয়েছিল। সে সময় এর বিরোধীরা কার্টিস কুলওয়েল সেন্টারের বাইরে বিক্ষোভও দেখিয়েছিল।
ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী, নবীর ছবি আঁকা নিষিদ্ধ। ২০০৬ সালে ডেনমার্কের জাইল্যান্ডস -পোস্টেন নামের একটি পত্রিকা মুহাম্মদকে (স.) নিয়ে কার্টুন প্রকাশ করলে ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। চলতি মাসের জানুয়ারিতে প্যারিসে একই ধরনের কার্টুন প্রকাশ করায় ফরাসি বিদ্রুপ ম্যাগাজিন শার্লি এবদুতে হামলা চালিয়ে ১২ জনকে গুলি করে হত্যা করে দুই বন্দুকধারী। - See more at: http://www.kalerkantho.com/online/world/2015/05/04/217900#sthash.we8AX25M.dpuf
যুক্তরাষ্ট্রে কার্টুন প্রদর্শনীতে পুলিশের গুলি, নিহত ২
কালের কণ্ঠ অনলাইন
অঅ-অ+
যুক্তরাষ্ট্রে একটি কনফারেন্সে মুহাম্মদ (স.)র কল্পিত কার্টুন ছবি
প্রদর্শনের সময় পুলিশের গুলিতে দুই বন্দুকধারী নিহত হয়েছে। এঘটনায় আহত
হয়েছে আরো একজন নিরাপত্তাকর্মী। রবিবার যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের
গারল্যান্ডের কলওয়েল সেন্টারে এঘটনা ঘটে। রবিবারের এই ইভেন্টে ১০ লাখ ডলার
মূল্যের হজরত মুহাম্মদ (স.) এর কার্টুন ছবি প্রদর্শন করা হয়। এই
কার্টুনগুলোতে অনেক মুসলমানদেরকে অবমাননা করা হয়েছে। এসময় পুলিশ
কার্টিসগুলো রেখে দেয় এবং কার্টুন প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারীদেরকে এ স্থান
ত্যাগ না করতে বলে।
এসম্মেলনে নেদারল্যান্ডের ইসলাম বিরোধী রাজনীতিবিদ গীর্ট ওয়েল্ডার উপস্থিত ছিলেন। সম্মেলনে পুলিশের গুলিতে দুই বন্দুকধারী নিহতের পর ওয়েল্ডার নিরাপদভাবেই সেখান থেকে বের হয়ে আসতে পেরেছে বলে তিনি তার টুইট বার্তার মাধ্যমে জানিয়েছেন। তবে কারা এঘটনার সঙ্গে জড়িত তা এখনো পরিষ্কার নয়। একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, সম্মেলন কেন্দ্রের পাশ দিয়ে একটি গাড়ি অতিক্রম করার তিনি ২০টি গুলির শব্দ শুনেছেন। নবীর কার্টুন নিয়ে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে সাম্প্রতিক হামলা ও হত্যাকাণ্ডের পর যুক্তরাষ্ট্রে এ ঘটনা ঘটল।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, দুই অস্ত্রধারী একটি গাড়িতে করে এসে প্রদর্শনী কেন্দ্রের বাইরে নামে এবং নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এক কর্মকর্তার দিকে গুলি শুরু করে। এরপর গারল্যান্ড পুলিশ পাল্টা গুলি চালালে দুই বন্দুকধারী নিহত হয়। অনলাইনে শহর কর্তৃপক্ষের দেওয়া এক বার্তায় জানানো হয়, এ ঘটনায় আহত পুলিশ সদস্য আশঙ্কামুক্ত। তবে হামলাকারীদের পরিচয় বা তাদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ধারণা দিতে পারেনি গারল্যান্ড পুলিশ।
ডালাসে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করে আমেরিকান ফ্রিডম ডিফেন্স ইনিশিয়েটিভ নামের একটি সংগঠন, যারা নিউ ইয়র্কে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের কাছে ইসলামিক সেন্টার নির্মাণের বিরোধিতা করেছিল। গারল্যান্ডের যে প্রদর্শনী কেন্দ্রে রবিবারের কার্টুন প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়, সেখানেই গত জানুয়ারিতে স্থানীয় একটি ইসলামিক সেন্টারের জন্য তহবিল সংগ্রহের অনুষ্ঠান হয়েছিল। সে সময় এর বিরোধীরা কার্টিস কুলওয়েল সেন্টারের বাইরে বিক্ষোভও দেখিয়েছিল।
ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী, নবীর ছবি আঁকা নিষিদ্ধ। ২০০৬ সালে ডেনমার্কের জাইল্যান্ডস -পোস্টেন নামের একটি পত্রিকা মুহাম্মদকে (স.) নিয়ে কার্টুন প্রকাশ করলে ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। চলতি মাসের জানুয়ারিতে প্যারিসে একই ধরনের কার্টুন প্রকাশ করায় ফরাসি বিদ্রুপ ম্যাগাজিন শার্লি এবদুতে হামলা চালিয়ে ১২ জনকে গুলি করে হত্যা করে দুই বন্দুকধারী।
এসম্মেলনে নেদারল্যান্ডের ইসলাম বিরোধী রাজনীতিবিদ গীর্ট ওয়েল্ডার উপস্থিত ছিলেন। সম্মেলনে পুলিশের গুলিতে দুই বন্দুকধারী নিহতের পর ওয়েল্ডার নিরাপদভাবেই সেখান থেকে বের হয়ে আসতে পেরেছে বলে তিনি তার টুইট বার্তার মাধ্যমে জানিয়েছেন। তবে কারা এঘটনার সঙ্গে জড়িত তা এখনো পরিষ্কার নয়। একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, সম্মেলন কেন্দ্রের পাশ দিয়ে একটি গাড়ি অতিক্রম করার তিনি ২০টি গুলির শব্দ শুনেছেন। নবীর কার্টুন নিয়ে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে সাম্প্রতিক হামলা ও হত্যাকাণ্ডের পর যুক্তরাষ্ট্রে এ ঘটনা ঘটল।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, দুই অস্ত্রধারী একটি গাড়িতে করে এসে প্রদর্শনী কেন্দ্রের বাইরে নামে এবং নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এক কর্মকর্তার দিকে গুলি শুরু করে। এরপর গারল্যান্ড পুলিশ পাল্টা গুলি চালালে দুই বন্দুকধারী নিহত হয়। অনলাইনে শহর কর্তৃপক্ষের দেওয়া এক বার্তায় জানানো হয়, এ ঘটনায় আহত পুলিশ সদস্য আশঙ্কামুক্ত। তবে হামলাকারীদের পরিচয় বা তাদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ধারণা দিতে পারেনি গারল্যান্ড পুলিশ।
ডালাসে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করে আমেরিকান ফ্রিডম ডিফেন্স ইনিশিয়েটিভ নামের একটি সংগঠন, যারা নিউ ইয়র্কে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের কাছে ইসলামিক সেন্টার নির্মাণের বিরোধিতা করেছিল। গারল্যান্ডের যে প্রদর্শনী কেন্দ্রে রবিবারের কার্টুন প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়, সেখানেই গত জানুয়ারিতে স্থানীয় একটি ইসলামিক সেন্টারের জন্য তহবিল সংগ্রহের অনুষ্ঠান হয়েছিল। সে সময় এর বিরোধীরা কার্টিস কুলওয়েল সেন্টারের বাইরে বিক্ষোভও দেখিয়েছিল।
ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী, নবীর ছবি আঁকা নিষিদ্ধ। ২০০৬ সালে ডেনমার্কের জাইল্যান্ডস -পোস্টেন নামের একটি পত্রিকা মুহাম্মদকে (স.) নিয়ে কার্টুন প্রকাশ করলে ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। চলতি মাসের জানুয়ারিতে প্যারিসে একই ধরনের কার্টুন প্রকাশ করায় ফরাসি বিদ্রুপ ম্যাগাজিন শার্লি এবদুতে হামলা চালিয়ে ১২ জনকে গুলি করে হত্যা করে দুই বন্দুকধারী।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন