ধীরে ধীরে ইসরাইলরে গলার ফাঁস এঁটে আসছে
http://www.weeklysonarbangla.ne॥ শরীফ এ. কাফী॥
এ কথা নতুন করে প্রমাণ করার প্রয়োজন নইে য,ে ১৯৪৮ সালে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতষ্ঠিার আগে থকেইে ইসরাইলদিরে পরকিল্পনা ছলি সমগ্র ফলিস্তিনি ভূখণ্ড দখল করে একটি বৃহত্তর ইসরাইল প্রতষ্ঠিা করা এবং সে প্রক্রয়িায় ফলিস্তিনি রাষ্ট্ররে অস্তত্বি বলিুপ্ত করে দয়ো। আর সে ল্য বাস্তবায়নরে জন্য তারা একরে পর এক আর্ন্তজাতকি আইন লঙ্ঘন করে মানবতা বরিোধী অপরাধ করইে চলছে।ে ১৯৪৮ সালরে আরব-ইসরাইল যুদ্ধরে পর ইসরাইল রাষ্ট্ররে ভূখণ্ডে বসবাসকারী কয়কে ল ফলিস্তিনিি আরবকে তাদরে ভটিে মাটি থকেে উচ্ছদে করে র্পাশর্বতী আরব দশেগুলোতে শরর্ণাথী হসিবেে পাঠয়িে দয়ো হয়। এরপর তাদরে ফলেে যাওয়া ভটিে মাটি দখল করে সখোনে বসতি স্থাপন করে অন্যান্য দশে থকেে ইহুদদিরে এনে পুর্নবাসতি কর।ে
১৯৬৭ সালরে আরব-ইসরাইল যুদ্ধও এই পরকিল্পনা ও ল্যের অংশ ছলি। ১৯৮২ সালে লবোননে শরর্ণাথী হসিবেে বসবাসরত ফলিস্তিনিদিরে উপর হামলাও সইে একই পরকিল্পনার অংশ ছলি। ১৯৭৯ সালে মসিররে সাথে স্থায়ী “শান্ত”ি চুক্তি স্বাররে পর গাজা দখল করাও সইে পরকিল্পনার অংশ ছলি। ১৯৯১ সালে “টু-স্টটে সুল্যশন”- এর মুলো ঝুলয়িে দয়িে “শান্তি প্রক্রয়িা”র নামে একরে পর এক ফলিস্তিনি ভূমি দখল এবং ইহুদি বসতি স্থাপনও সইে একই পরকিল্পনার অংশ ছলি। আর এসব কাজে শুরু থকেইে আমরেকিা, ব্রটিনে ও তাদরে অপরাপর পশ্চমিা মত্রিরা ইসরাইলরে আর্ন্তজাতকি আইন লঙ্ঘন ও মানবতা বরিোধী অপরাধ সংঘটনরে সহযোগী ও রকরে ভূমকিা পালন করছে।ে
কন্তিু ইসরাইলরে অব্যাহত আর্ন্তজাতকি আইন লঙ্ঘন ও মানবতা বরিোধী অপরাধ সংঘটনরে ৬৬ বছররে পর এসে ইউরোপে ইসরাইল সর্ম্পকতি নীতরি পরর্বিতন সূচতি হয়ছে।ে সুইডনে প্যালস্টোইনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হসিবেে র্পূণ স্বীকৃতি প্রদান করছে।ে এ ছাড়া আয়ারল্যান্ড, ব্রটিনে, স্পনে, ফ্রান্স প্রভৃতি দশে প্যালষ্টোইনকে রাষ্ট্র হসিবেে নীতগিত স্বীকৃতি প্রদান করছে।ে ইউরোপে মুসলমি জনসংখ্যার হার উল্লখেযোগ্য হারে বৃদ্ধি পয়েছেে এবং পাচ্ছ।ে ক্রমে ক্রমে ভোটরে রাজনীততিে এবং র্অথনতৈকি র্কমকাণ্ডে মুসলমিদরে গুরুত্ব উল্লখেযোগ্যভাবে বাড়ছ।ে সইে সাথে প্যালস্টোইনীদরে প্রতি চুড়ান্ত অন্যায়, অবচিার এবং বশ্বিব্যাপী পশ্চমিা বশ্বিরে মুসলমি বদ্বিষে ইউরোপরে মুসলমিদরেকওে প্রভাবতি করছ।ে এসব কারণে সংখ্যায় অল্প হলওে ইউরোপরে কছিু কছিু মুসলমিদরে মাঝে মৌলবাদ ও উগ্র সন্ত্রাসবাদ বস্তিারলাভ করছ।ে ফলে ইউরোপে বড় রকমরে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়ছে।ে এ আতঙ্করে কারণে ইউরোপ হয়তো ধীরে ধীরে ইসরাইলরে চরম ফ্যাসবিাদী র্কাযকলাপ সর্মথনরে নীতি থকেে সরে আসতে চাইছ।ে
এ প্রেেতি দুটি প্রশ্ন দখো দয়িছে।ে প্রথমতঃ, ইউরোপরে এই পরর্বিতনরে ফলে ইসরাইলরে প্রতক্রিয়িা কী হব?ে দ্বতিীয়তঃ, সামরকি শক্তি প্রয়োগ কর,ে অব্যাহত আর্ন্তজাতকি আইন লঙ্ঘন ও মানবতা বরিোধী অপরাধ সংঘটনরে মাধ্যমে ইসরাইল কী তার অস্তত্বি টকিয়িে রাখতে পারব?ে
ইউরোপে ইসরাইল সর্ম্পকতি নীতি পরর্বিতন ইসরাইলকে এতটাই আতঙ্কগ্রস্ত করছেে য,ে দশেটরি নতোরা সব রকম ধর্য্যৈ-সহ্য, ভব্যতা-সভ্যতা, ন্যায়নীত-ি ন্যায়বচিার ভুলে ফলিস্তিনিদিরে ধ্বংস করতে মরয়িা হয়ে উঠছে।ে যে কারণে প্যালস্টোইন ভূখণ্ডে ইসরাইল র্কতৃক নর্লিজ্জভাবে আর্ন্তজাতকি আইনকে বুড়ো আঙ্গুল দখেয়িে মানবতা বরিোধী অপরাধ সংঘটন ক্রমাগতভাবে বৃদ্ধরি লণ ইতোমধ্যইে দখো যাচ্ছ।ে বশিষে করে গাজায় র্ববর হামলা চালয়িে নারী, শশিু, বৃদ্ধসহ নরিীহ হাজার হাজার বসোমরকি মানুষকে হতাহত করা, হাজার হাজার ঘরবাড়ি গুঁড়য়িে দয়োর ঘটনা ঘটছেে এবং এখনও মাঝে মাঝে ঘটছ।ে এছাড়া আট বছর আগে গাজার ১৮ ল অধবিাসীর বরিুদ্ধে বাণজ্যি ও চলাচলরে উপর অবরোধ আরোপ করার পর আজও সে অবোরধ অব্যাহত আছ।ে পশ্চমি তীরে ফলিস্তিনিি ভূমি দখল করে বসতি স্থাপনরে গতি কয়কে গুণ বড়েছে।ে চকেপোস্ট বসয়িে ফলিস্তিনিদিরে চলাচল নয়িন্ত্রণ এবং কোনো কারণ ছাড়া গ্রফেতার অব্যাহত রয়ছে।ে ফলিস্তিনিদিরে বনিা বচিারে বছররে পর বছর কারাগারে আটক রাখার ঘটনা অনকেগুণ বৃদ্ধি পয়েছে।ে ফলিস্তিনিি নারী, পুরুষ ও শশিুদরে গুলি করে হত্যার ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পয়েছে।ে ইসরাইলি সনোদরে ছত্রছায়ায় ফলিস্তিনিদিরে বাড়-িঘরে হামলা ও আগুন দয়োর ঘটনা বৃদ্ধি পয়েছে।ে জরেুজালমেে ফলিস্তিনিদিরে প্রবশোধকিার ক্রমে ক্রমে কড়েে নয়ো হচ্ছ।ে পবত্রি বায়তুল মোকাদ্দাস পুরোপুরি ইহুদদিরে দখলে নয়োর কাজ অনকেটা এগয়িে গয়িছে।ে
কন্তিু এত-শত অপরাধ সংঘটনরে মাধ্যমে ইসরাইল কী তার নরিাপত্তা নশ্চিতি করতে পারব?ে নজিরে অস্তত্বি টকিয়িে রাখতে পারব?ে এ প্রশ্নগুলো এখন ইসরাইলকে এক চরম বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড় করয়িে দয়িছে।ে
এমন এক সময় ছলি, যখন লবোননকে ইসরাইল তার ভতির বাড়ি মনে করত। যখন তখন তাদরে সনোরা লবোননে ঢুকে পড়তো। ইচ্ছা-মতো গণহত্যাও চালয়িছেে (শাবরা-শাতলিা)। কন্তিু ২০০৮ সালরে পর আর সে পরস্থিতিি নইে। সে বছর হজিবুল্লাহকে ধ্বংস করার মানসে লবোননে সামরকি অভযিান চালাতে গয়িে দারুণ মার খয়েছে।ে বশ্বিরে অত্যাধুনকি অস্ত্র-শস্ত্র নয়িওে লবোননরে এক ইঞ্চি ভূমতিওে প্রবশে করতে পারনেি ইসরাইল। মারা গছেে অনকে সন্যৈ। হলেকিপ্টারে সন্যৈ নামাতে গয়িে নামাতে তো পারনে,ি বরং দুই সন্যৈকে ফলেে প্রাণ নয়িে পালাতে হয়ছে।ে তারপর থকেে এই ৭ বছরে লবোননে সামরকি অভযিানরে কথা স্বপ্নওে ভাবনেি ইসরাইল। এখন সখোনে হজিবুল্লাহ তার জন্য র্মূতমিান আতঙ্ক। হজিবুল্লাহর অস্ত্র ভাণ্ডার এখন তার জন্য দারুণ উদ্বগেরে বষিয়।
২০০৮ ও ২০০৯ সালে খুব সহজইে গাজায় সামরকি অভযিান পরচিালনা করছেলি ইসরাইল, গাজার ভতিরওে প্রবশে করছেলি। তখন ফলিস্তিনিদিরে প থকেে প্রতরিোধ ছলি র্দুবল। ২০১১ সালে গাজা আক্রমণ করতে গয়িে তারা প্রথম বাররে মতো তীব্র প্রতরিোধরে মধ্যে পড়ছেলি। উত্তরদকি দয়িে মাত্র ৬ কলিোমটিার ভতিরে ঢুকতে পরেছেলি। নহিত হয়ছেলি তাদরে বশে কয়কেজন সনো, আর বন্দী হয়ছেলি ২ জন, ধ্বংস হয়ছেলি ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান। সমস্ত কৃতত্বি হামাসরে, হামাস যোদ্ধাদরে। কন্তিু ২০১৪ সালে ইসরাইল বমিান হামলা চালয়িে ২ হাজাররেও বশেি মানুষ হত্যা, ২০ হাজাররেও বশেি আহত এবং ৪ হাজাররেও বশেি ঘর-বাড়ি ধ্বংস করতে পারলওে গাজায় প্রবশে করতে পারনে।ি তাদরে নজিদেরে হসিবেইে নহিত হয়ছেলি ৭১ সনো ও ৩ বসোমরকি ব্যক্তি (ফলিস্তিনিদিরে হসিবেে ১৬০ এরও বশে)ি। ইসরাইল ভালো করইে বুঝতে পরেছে,ে লবোননরে মতো গাজায়ও তাদরে প্রবশে এখন নষিদ্ধি হয়ে পড়ছে।ে
ওদকিে পশ্চমি তীর ছলি তাদরে কাছে বহরিাগত ইহুদদিরে বসতি স্থাপনরে “র্স্বগভূম”ি। পুরো পশ্চমি তীর ছলি তাদরে খলোর মাঠ বা র্পাকরে মতো অবাধ বচিরণ ত্র।ে কন্তিু ২০১৪ সালে গাজা আক্রমণরে পর সখোনকার পরস্থিতিি দ্রুত পাল্টাতে শুরু করছে।ে সখোনে প্রতবিাদ, বক্ষিোভ যমেন বড়েছে,ে তমেনি ইসরাইলদিরে উপর পাথর নেিপের ঘটনাও বৃদ্ধি পয়েছে।ে নারী-শশিুরা র্পযন্ত ইসরাইলি সনোদরে সাথে ধস্তাধস্ততিে লপ্তি হচ্ছ।ে ইসরাইলি সনোদরে গুলতিে মৃতরে সংখ্যা যমেন দনি দনি বাড়ছ,ে তমেনি ইরাইলি সনো ও বসতি স্থাপনকারীদরে উপর ধারালো ছুরি নয়িে হামলার ঘটনাও বৃদ্ধি পাচ্ছ।ে এর মধ্যে ফলিস্তিনিদিরে ছুরকিাঘাতে বশে কছিু ইসরাইলরি মৃত্যু হয়ছে।ে ইসরাইলরে জন্য সবচয়েে বড় দুঃসংবাদ হল সম্প্রতি সখোনে ফলিস্তিনিদিরে গুলতিে ২ ইসরাইলরি মৃত্যু হয়ছে।ে বহু বছর পর পশ্চমি তীরে ইসরাইলদিরে বরিুদ্ধে ফলিস্তিনিীরা অনকে অনকে আগ্নয়োস্ত্র ব্যবহার করল।
পশ্চমি তীরে ফলিস্তিনিদিরে প্রতরিোধ আকাক্সা, আত্মত্যাগরে আকাক্সা, আক্রমণমুখী হয়ে ওঠা এবং আগ্নয়োস্ত্র ব্যবহার ইঙ্গতি দচ্ছি,ে আগামী দু-পাঁচ বছররে মধ্যে পশ্চমি তীরওে ইসরাইলদিরে অবাধ চলাচল বন্ধ হতে চলছে,ে হয়তো লবোনন ও গাজার মতো পশ্চমি তীরওে ইসরাইলরে প্রবশে নষিদ্ধি হতে চলছে।ে পরস্থিতিি বলে দচ্ছি,ে ধীরে ধীরে ইসরাইলরে গলার ফাঁস এঁটে আসছ।ে

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন