‘কাশ্মিরে গেরিলা তৎপরতায় যোগ দেয়ার প্রবণতা বেড়েছে’
(রেডিও তেহরান): ভারত
নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মিরের তরুণদের গেরিলা তৎপরতায় যোগ দেয়ার প্রবণতা
বেড়েছে। কাশ্মিরে সহিংসতা বাড়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এ প্রবণতা বাড়ছে বলে
দেশটির ইংরেজি দৈনিক হিন্দু আজ(মঙ্গলবার) খবর দিয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, গত ৪৮ ঘণ্টায় আলাদা বন্দুক যুদ্ধে কাশ্মিরে চার ভারতীয় সেনা এবং তিন গেরিলা নিহত হয়েছে।
ভারতীয় কর্মকর্তারা বলেন, সহিংসতা বাড়ার
সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কাশ্মীরের তরুণরা গেরিলা তৎপরতার দিকে আকর্ষিত হচ্ছে।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে পাকিস্তান-ভারত উত্তেজনা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এ সহিংসতা
বাড়ছে বলে জানান তারা।
বর্তমানে সহিংসতা যে হারে চলছে তা আরো
কিছু দিন অব্যাহত থাকবে উল্লেখ করে তারা বলেন, এতে স্থানীয় গেরিলা তৎপরতা
উস্কে উঠবে। এ ছাড়া, খবরে অনুপ্রবেশের আশংকাও ব্যক্ত করা হয়। এতে দাবি করা
হয়েছে, শীতকালীন বরফে নিয়ন্ত্রণ রেখা নামে পরিচিত কাশ্মির সীমান্ত বরফে
ঢাকা পড়ে চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়বে; এর আগে গেরিলা অনুপ্রবেশের আশংকা রয়েছে ।
অবশ্য পদস্থ এক ভারতীয় কর্মকর্তা দৈনিকটিকে বলেন, গেরিলা অনুপ্রবেশকে
কেন্দ্র করেই কাশ্মিরে সহিংসতা উস্কে উঠেছে কিনা সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়
নি। এ ছাড়া, কাশ্মিরে অনুপ্রবেশের কোনো খবরও ভারতীয় সেনাবাহিনী দেয় নি।
বরং স্থানীয় তরুণরা উল্লেখযোগ্য হারে
গেরিলা তৎপরতার দিকে ঝুঁকছে বলে এ কর্মকর্তা জানান। তিনি বলেন,
আগস্ট-সেপ্টেম্বর মাসে কাশ্মিরে অন্তত এক ডজন তরুণ গেরিলা তৎপরতায় যোগ
দেয়ার নিশ্চিত খবর ভারতের কাছে আছে। তিনি আরো বলেন, চলতি বছরে এ নিয়ে ৬০
তরুণ গেরিলা তৎপরতায় ভাবে যোগ দিয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। অবশ্য এ
সংখ্যা আশিতে যেয়ে পৌঁছাতে পারে বলে এ কর্মকর্তা জানান।
২০১৩ সালে কাশ্মিরে সহিংসতার ঘটনা সবচেয়ে
কম ঘটেছে। কিন্তু ২০১৪ এবং ২০১৫ সালে তা উল্লেখযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
কাশ্মিরি তরুণরা রহস্যময় কারণে গেরিলা তৎপরতার দিকে ঝুঁকছে বলে দৈনিক
হিন্দু গত মাসের ১৭ তারিখে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল।#
রেডিও তেহরান/সমর/৬

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন