যৌন নিগ্রহের কথা প্রকাশ করায় বারখা ডাটের প্রশংসা
BBC NEWS
বারখা ডাট সম্প্রতি তার প্রকাশিত এক বই “দ্য আনকোয়ায়েট ল্যান্ডে’ জানিয়েছেন যে শৈশবে এক দূরসম্পর্কের আত্মীয় তার ওপর যৌন-নিপীড়ন চালিয়েছিল
।
এতে তিনি লিখেছেন, “আমার ওপর যা ঘটেছিল, শিশু হিসেবে তার ভয়াবহতার মাত্রা আমি বুঝতে পারছিলাম না, কিন্ত আমার নিজেকে নোংরা এবং বিকট বলে মনে হচ্ছিল।” বারখা ডাট কাজ করেন ভারতের চব্বিশ ঘন্টার নিউজ চ্যানেল এনডিটিভি-তে।
যৌন নিগ্রহের শিকার হওয়ার এই ঘটনা প্রকাশ করায় অনেকেই এখন তার প্রশংসা করছেন।
২০০৭ সালে পরিচালিত ভারত সরকারের মহিলা ও শিশু মন্ত্রণালয়ের এক জরিপ অনুযায়ী, দেশটির ৫৩ শতাংশ শিশু কোন না কোন ধরণের যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে। কিন্তু এসব ঘটনার বেশিরভাগই কখনো প্রকাশ পায় না। কারণ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে যৌন নির্যাতনকারীরা পরিবারেরই সদস্য।
ভারতের একজন এমপি রাজীব চন্দ্রশেখর সম্প্রতি এ নিয়ে সোচ্চার হয়েছেন। তিনি বলেছেন, ভারতে শিশুদের ওপর যৌন নির্যাতন মহামারীর পর্যায়ে পৌঁছেছে। কিন্তু এই সমস্যাকে অস্বীকার করার একটা সংস্কৃতি চালু রয়েছে ভারতে। এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে তিনি এক প্রচারণা শুরু করেছেন এবং নরেন্দ্র মোদির সরকারের প্রতি শিশুদের নিরাপত্তায় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।
ভারতের সবচেয়ে
জনপ্রিয় টেলিভিশন সাংবাদিকদের একজন বারখা ডাট শিশু বয়সে যৌননিগ্রহের
শিকার হয়েছিলেন এই তথ্য প্রকাশ করায় অনেকেই তার প্রশংসা করেছেন।
বিশ্বে সবচেয়ে বেশি শিশু যৌন নিপীড়নের শিকার হয় ভারতে। কিন্তু এই
বিষয়টি ভারতের বেশিরভাগ পরিবারেই চেপে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়। এই সমস্যা
নিয়ে ভারতে কোন আলোচনাই সেভাবে শোনা যায় না।বারখা ডাট সম্প্রতি তার প্রকাশিত এক বই “দ্য আনকোয়ায়েট ল্যান্ডে’ জানিয়েছেন যে শৈশবে এক দূরসম্পর্কের আত্মীয় তার ওপর যৌন-নিপীড়ন চালিয়েছিল
।
এতে তিনি লিখেছেন, “আমার ওপর যা ঘটেছিল, শিশু হিসেবে তার ভয়াবহতার মাত্রা আমি বুঝতে পারছিলাম না, কিন্ত আমার নিজেকে নোংরা এবং বিকট বলে মনে হচ্ছিল।” বারখা ডাট কাজ করেন ভারতের চব্বিশ ঘন্টার নিউজ চ্যানেল এনডিটিভি-তে।
যৌন নিগ্রহের শিকার হওয়ার এই ঘটনা প্রকাশ করায় অনেকেই এখন তার প্রশংসা করছেন।
২০০৭ সালে পরিচালিত ভারত সরকারের মহিলা ও শিশু মন্ত্রণালয়ের এক জরিপ অনুযায়ী, দেশটির ৫৩ শতাংশ শিশু কোন না কোন ধরণের যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে। কিন্তু এসব ঘটনার বেশিরভাগই কখনো প্রকাশ পায় না। কারণ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে যৌন নির্যাতনকারীরা পরিবারেরই সদস্য।
ভারতের একজন এমপি রাজীব চন্দ্রশেখর সম্প্রতি এ নিয়ে সোচ্চার হয়েছেন। তিনি বলেছেন, ভারতে শিশুদের ওপর যৌন নির্যাতন মহামারীর পর্যায়ে পৌঁছেছে। কিন্তু এই সমস্যাকে অস্বীকার করার একটা সংস্কৃতি চালু রয়েছে ভারতে। এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে তিনি এক প্রচারণা শুরু করেছেন এবং নরেন্দ্র মোদির সরকারের প্রতি শিশুদের নিরাপত্তায় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন