হিমালয়ে পাওয়া গেল ডাঙ্গায় ‘হাঁটতে’ পারা মাছ, বৃষ্টি হলে হাঁচ্চি দেয়া বানর!
(রেডিও তেহরান): হিমালয়ের পূর্ব প্রান্তের নাজুক পরিবেশে
নতুন দুইশ’র বেশি প্রজাতির প্রাণীর সন্ধান পাওয়া গেছে। এর মধ্যে বৃষ্টি হলে
হাঁচ্চি দেয় এমন এক বানর প্রজাতির সন্ধান পাওয়া গেছে। এ ছাড়া, ডাঙ্গায়
অনায়াসে ‘হাঁটতে’ পারে এমন প্রজাতির মাছ পাওয়া গেছে। এ খবর দিয়েছে
জীববৈচিত্র সংরক্ষণে নিয়োজিত আন্তর্জাতিক সংস্থা ওয়ার্ল্ড ফান্ড ফর নেচার
বা ডব্লিউডব্লিউএফ।
ভুটান, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল, নেপাল, মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চল এবং
তিব্বতের দক্ষিণাঞ্চলে জীববৈচিত্র নিয়ে এ জরিপ চালায় ডব্লিউডব্লিউএফ।
সংস্থাটি নতুন যেসব প্রজাতির সন্ধান পেয়েছে সেগুলোর মধ্যে হাঁটতে সক্ষম নীল রঙের মাছ রয়েছে। এ মাছের মাথা দেখতে সাপের মতো। বাতাসে নিঃশ্বাস নিতে সক্ষম এ মাছ ডাঙ্গায় চার দিন বেঁচে থাকতে পারে। এ ছাড়া, জলাশয়ের খোঁজে ডাঙ্গায় ৪০০ মিটার পথ পাড়ি দিতে পারে এ মাছ।
এ ছাড়া, হলুদ এবং কমলা বর্ণে সজ্জিত সাপ- পিট ভাইপারেরও খোঁজ পাওয়া গেছে। এ সাপ দেখতে এতোটাই সুন্দর যে এক টুকরা জড়োয়া হিসেবে চালিয়ে দেয়া যাবে। এ ছাড়া, মিঠে পানির এক জাতের মাছের খোঁজ পাওয়া গেছে যার কিনা ‘ড্রাকুলার’ মতো দাঁত রয়েছে। এ জরিপ চালাতে গিয়ে তিনটি নয়া প্রজাতির কলারও সন্ধান পেয়েছে ডব্লিউডব্লিউএফ।
পাশাপাশি, এ জরিপ চালাতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলে নতুন প্রজাতির বানরের খোঁজ পেয়েছেন। বৃষ্টি হলে উল্টানো নাসিকার অধিকারী এ বানর হাঁচ্চি দেয়! বৃষ্টির সময় পানি যেন নাকে ঢুকতে না পারে সে জন্য এ বানর সে সময়ে হাঁটুতে মাথা গুজে বসে থাকে।
২০০৯ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত চালানো এ জরিপে ২১১টি নতুন প্রজাতির প্রাণী ও উদ্ভিদের খোঁজ পাওয়া যায়। এরমধ্যে অর্কিডসহ নতুন প্রজাতির ১১৩ উদ্ভিদ, ২৬ প্রজাতির মাছ, ১০ প্রজাতির উভচর প্রাণী, ৩৯ প্রজাতির অমেরুদণ্ডী, ১ প্রজাতির সরীসৃপ এবং ১ প্রজাতির পাখি এবং ১ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণীর খোঁজ পাওয়া গেছে।#
রেডিও তেহরান/সমর/৬
সংস্থাটি নতুন যেসব প্রজাতির সন্ধান পেয়েছে সেগুলোর মধ্যে হাঁটতে সক্ষম নীল রঙের মাছ রয়েছে। এ মাছের মাথা দেখতে সাপের মতো। বাতাসে নিঃশ্বাস নিতে সক্ষম এ মাছ ডাঙ্গায় চার দিন বেঁচে থাকতে পারে। এ ছাড়া, জলাশয়ের খোঁজে ডাঙ্গায় ৪০০ মিটার পথ পাড়ি দিতে পারে এ মাছ।
এ ছাড়া, হলুদ এবং কমলা বর্ণে সজ্জিত সাপ- পিট ভাইপারেরও খোঁজ পাওয়া গেছে। এ সাপ দেখতে এতোটাই সুন্দর যে এক টুকরা জড়োয়া হিসেবে চালিয়ে দেয়া যাবে। এ ছাড়া, মিঠে পানির এক জাতের মাছের খোঁজ পাওয়া গেছে যার কিনা ‘ড্রাকুলার’ মতো দাঁত রয়েছে। এ জরিপ চালাতে গিয়ে তিনটি নয়া প্রজাতির কলারও সন্ধান পেয়েছে ডব্লিউডব্লিউএফ।
পাশাপাশি, এ জরিপ চালাতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলে নতুন প্রজাতির বানরের খোঁজ পেয়েছেন। বৃষ্টি হলে উল্টানো নাসিকার অধিকারী এ বানর হাঁচ্চি দেয়! বৃষ্টির সময় পানি যেন নাকে ঢুকতে না পারে সে জন্য এ বানর সে সময়ে হাঁটুতে মাথা গুজে বসে থাকে।
২০০৯ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত চালানো এ জরিপে ২১১টি নতুন প্রজাতির প্রাণী ও উদ্ভিদের খোঁজ পাওয়া যায়। এরমধ্যে অর্কিডসহ নতুন প্রজাতির ১১৩ উদ্ভিদ, ২৬ প্রজাতির মাছ, ১০ প্রজাতির উভচর প্রাণী, ৩৯ প্রজাতির অমেরুদণ্ডী, ১ প্রজাতির সরীসৃপ এবং ১ প্রজাতির পাখি এবং ১ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণীর খোঁজ পাওয়া গেছে।#
রেডিও তেহরান/সমর/৬

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন