সেনাবাহিনীর
হাতে থাকা অত্যাধুনিক ‘থার্মাল ইমেজার'-এর সাহায্যেই পাঠানকোটে জঙ্গিদের
গতিবিধি প্রথম নজরে এসেছিল৷ রাত তখন তিনটে৷ চারদিক ঘন কুয়াশায় ঢাকা৷ নিকষ
কালো অন্ধকারে ছেয়ে রয়েছে চারদিক৷ এরই মধ্যে পাঠানকোটে বায়ুসেনা ঘাঁটিতে
ঢোকার চেষ্টায় পাঁচ জঙ্গি৷ চালকবিহীন ড্রোন ও ইজরায়েলি প্রযুক্তিতে তৈরি
চালকবিহীন হেরন বিমান গা ঢাকা দেওয়া এই জঙ্গিদের প্রথমে চিহ্নিত করেছিল৷
পাঠানকোটে
বায়ুসেনা ঘাঁটিতে মূলত বাহিনীর মিগ-২১, ‘বাইসন' ফাইটার এমআই-৩৫-র মতো
অত্যাধুনিক কপ্টার থাকে৷ ভারতীয় বায়ুসেনার মূল্যবান সম্পদ বহুমুখী
মারণক্ষমতা সম্পন্ন এমআই ২৫ এবং এমআই ৩৫ কপ্টারগুলি ধ্বংস করতে এসেছিল পাক
জঙ্গিরা৷ কিন্তু তাদের এই দুঃসাহসিক চেষ্টা ব্যর্থ করে দেয় সেনাবাহিনী৷ শেষ
পর্যন্ত জঙ্গিরা ওই সুরক্ষিত জায়গায় পৌঁছতে পারেনি৷ হেরন ও ড্রোন এই দুই
চালকবিহীন বিমানে থাকা ‘থার্মাল ইমেজার' নামে যন্ত্রে ধরা পড়ে জঙ্গিদের
গতিবিধি৷ কোনও প্রাণীর শরীরে যে তাপ উৎপন্ন হয় তা থেকেই এই যন্ত্র ওই
প্রাণীর নির্ভুল অবস্থান জানাতে পারে৷
ঘুটঘুটে
অন্ধকারেও থার্মাল ইমেজার যে কোনও ছোটবড় প্রাণীর সামান্য নড়াচড়াও স্পষ্ট
ধরে ফেলে৷ এদিনও নিখুঁতভাবেই পাঁচ জঙ্গির গতিবিধি ধরে ফেলে থার্মাল ইমেজার
বহনকারী হেরন ও ড্রোন৷ ফলে অন্ধকারে গা ঢাকা দেওয়া পঞ্চম জঙ্গিকে খুঁজে বের
করে সহজেই খতম করা হয়৷

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন