স্কুলঘরেই শিক্ষিকার বিয়ের ভোজ!
হয়েছিল৷ স্কুলের অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষিকারাও এদিনের এই ভোজের আয়োজনে যথেষ্ট সহযোগিতা করেন৷ এই বিয়ে–ভোজের অনুষ্ঠানের মাঝেই এদিন শারীরশিক্ষার পরীক্ষা ছিল স্কুলে৷ যদিও ভোজের অনুষ্ঠানের জন্য পরীক্ষা ১ ঘণ্টা পিছিয়ে দেওয়া হয়৷ ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকেরা সরব হন৷ সকলে মিলে দীর্ঘক্ষণ ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান স্কুলের প্রধান শিক্ষককে৷ যদিও স্কুল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, এমন রান্নার আয়োজন এই স্কুলে মাঝেমধ্যেই হয়ে থাকে৷ স্কুলের প্রধান শিক্ষক বলেন, স্কুলের বা ছাত্রছাত্রীদের সমস্যা করে কোনও অনুষ্ঠান করা হয়নি৷ বিষয়টি জানতে পেরে স্কুলের প্রধান শিক্ষককে শোকজ নোটিস পাঠানোর কথা জানিয়েছেন জলপাইগুড়ি জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক স্বপন সামন্ত৷ তিনি বলেন, শিক্ষাকেন্দ্রের ভেতরে এ ধরনের অনুষ্ঠান একেবারেই কাম্য নয়৷

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন