পাকিস্তানে বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব, ঢাকার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান - rangpur news

Breaking

Breaking News

rangpur news

This is news blog site.Here have important online newspaper.if you Concert:MD.Gulam azam sarkar. E-mail:gulamazam@gmail.com Mobil:01735632338

Windows

test banner

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর, ২০১৫

পাকিস্তানে বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব, ঢাকার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান

পাকিস্তানে বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব, ঢাকার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান

পাকিস্তানে বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব, ঢাকার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান
 (রেডিও তেহরান): পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সেদেশে নিযুক্ত বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার মৌসুমী রহমানকে তলব করেছে। বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও জামায়াত নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের মৃত্যুদণ্ড নিয়ে পাকিস্তানের বক্তব্যে ঢাকা কড়া প্রতিবাদ জানানোর এক সপ্তাহ পর তাকে তলব করা হলো।
  (সোমবার) বিকেলে মৌসুমী রহমানকে তলব করা হয় বলে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে। পাক পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সৈয়দ কাজী খালিউল্লাহর বরাত দিয়ে ডন এ খবর প্রকাশ করেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (দক্ষিণ এশিয়া ও সার্ক) পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব করেছেন। গত ২৩ নভেম্বর বাংলাদেশ সরকার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যে ভিত্তিহীন ও অমূলক অভিযোগে দেয়া নোট প্রত্যাখ্যান করছে পাকিস্তান সরকার। একই সঙ্গে যুদ্ধের নৃশংসতায় পাকিস্তানের সম্পৃক্ততা নিয়ে যে পরোক্ষ ইঙ্গিত দেয়া হয়েছিল, তাও প্রত্যাখ্যান করা হচ্ছে।’

বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য পাকিস্তানের আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও পাকিস্তানকে জড়িয়ে বাংলাদেশ সরকারের এমন বিদ্বেষপূর্ণ আচরণ দুঃখজনক। পাকিস্তান বিশ্বাস করে, দু দেশের জনগণও বন্ধুত্ব ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন দৃঢ় করতে আগ্রহী। তবে দুঃখের সঙ্গে বলতে হচ্ছে, এই মনোভাবের প্রতি বাংলাদেশ সরকার সম্মান দেখাচ্ছে না।’

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘১৯৭৪ সালে সই হওয়া ত্রিপক্ষীয় চুক্তি দুই দেশের সম্পর্কের ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত। এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার যুক্তি দেয় যে, ১৯৭৪ সালের চুক্তির বিভ্রান্তিকর ব্যাখ্যা দিচ্ছে পাকিস্তান। এখানে জোর দিয়ে বলা দরকার, চুক্তি অনুসারে বাংলাদেশ সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে, ক্ষমার অংশ হিসেবে এই বিচার আর চালিয়ে নেবে না।’

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নের আশা পুনর্ব্যক্ত করে পাক সরকার বলেছে, ‘আমরা বিশ্বাস করি পাকিস্তান ও বাংলাদেশের জনগণের হৃদয় স্পন্দনে ঐক্যতান রয়েছে। দক্ষিণ এশীয় উপমহাদেশের মুসলিমদের জন্য স্বতন্ত্র আবাসভূমি প্রতিষ্ঠা করেছে, তা ভুলে গেলে চলবে না। তাই, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের জনগণের সামষ্টিক কল্যাণের জন্য শুভেচ্ছা, বন্ধুত্ব ও ঐকতানের চেতনায় সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়াও নিতান্ত জরুরি।”

প্রসঙ্গত, গত ২৫ নভেম্বর দেশটির জাতীয় পরিষদের সদস্য শেখ আফতাব আহমেদ জানিয়েছিলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধে বাংলাদেশে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করায় আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানাতে হাইকমিশনারকে তলব করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

এর আগে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকরে ‘নিন্দা ও উদ্বেগ’ জানায় পাকিস্তান। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পর দিন ২২ নভেম্বর পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, “১৯৭১ সালে পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে দেশটির বিরোধী দলের দুই নেতার ফাঁসি ‘উদ্বেগ ও কষ্টের’ বিষয়। গভীর উদ্বেগের সঙ্গে আমরা দুঃখজনক এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা দেখেছি। এ ঘটনায় পাকিস্তান গভীরভাবে অসন্তুষ্ট।”

পাকিস্তানের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ার পর বাংলাদেশে নিযুক্ত দেশটির হাইকমিশনার সুজা আলমকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করে প্রতিবাদ জানানো হয়। এটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলানোর শামিল জানিয়ে সুজা আলমের কাছে প্রতিবাদপত্র তুলে দেয় বাংলাদেশ সরকার। ঢাকার পক্ষ থেকে বলা হয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মন্তব্য করা নাক গলানোর শামিল, এটা দুঃখজনক।

মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ২২ নভেম্বর প্রথম প্রহরে বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের মৃতুদণ্ড কার্যকর করা হয়।#

রেডিও তেহরান/এআর/৩০

কোন মন্তব্য নেই:

Post Top Ad

Responsive Ads Here