‘লাদেন বিরোধী অভিযান নিয়ে ডাহা মিথ্যা বলেছেন ওবামা’- রেডিও তেহরান - rangpur news

Breaking

Breaking News

rangpur news

This is news blog site.Here have important online newspaper.if you Concert:MD.Gulam azam sarkar. E-mail:gulamazam@gmail.com Mobil:01735632338

Windows

test banner

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

সোমবার, ১১ মে, ২০১৫

‘লাদেন বিরোধী অভিযান নিয়ে ডাহা মিথ্যা বলেছেন ওবামা’- রেডিও তেহরান

‘লাদেন বিরোধী অভিযান নিয়ে ডাহা মিথ্যা বলেছেন ওবামা’- রেডিও তেহরান

“লাদেন বিরোধী অভিযান” প্রত্যক্ষ করছেন ওমাবাসহ শীর্ষ কর্তকর্তারা “লাদেন বিরোধী অভিযান” প্রত্যক্ষ করছেন ওমাবাসহ শীর্ষ কর্তকর্তারা

(রেডিও তেহরান): সাবেক আল-কায়েদা নেতা ওসামা বিন-লাদেনকে হত্যার অভিযানের বিষয়ে ডাহা মিথ্যা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। নিজের ভূমিকাকে বড় করে দেখানো এবং বিন লাদেন বিরোধী অভিযানের কৃতিত্ব নেয়ার জন্য এক্ষেত্রে পাকিস্তানের বিশেষ বাহিনীর ভূমিকার কথা ধামাচাপা দিয়েছেন তিনি।

পুলিৎজার পুরস্কার বিজয়ী  আমেরিকার খ্যাতনামা অনুসন্ধানী সাংবাদিক ও লেখক সেইমোর হার্শ এক নিবন্ধে এ কথা বলেছেন। তার এ নিবন্ধ 'লন্ডন বুক রিভিউ’তে প্রকাশিত হয়েছে। নিবন্ধে বলা হয়েছে, বিন লাদেনের লাশ সাগরে ফেলে
দেয়া হয় নি বরং তাকে আফগানিস্তানে কবর দেয়া হয়েছে। আমেরিকা ও পাকিস্তানের সাবেক গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে এ সব তথ্য দিয়েছেন হার্শ।

বিন লাদেন বিরোধী অভিযান “অপারেশন নেপচুন স্পেয়ার” সাংকেতিক নামে পরিচিত।  “অপারেশন নেপচুন স্পেয়ার” সম্পর্কে যে সব তথ্য  ও বিবৃতি মার্কিন সরকার প্রকাশ করেছে তাকে বানোয়াট ও  রূপকথা  হিসেবে অভিহিত করেছেন হার্শ। তিনি বলেছেন, হোয়াইট হাউজের এ সংক্রান্ত বক্তব্য হয়তো লিখেছেন (আজব দেশে এলিসের লেখক) লুইস ক্যারোল। 

সেইমোর হার্শ লিখেছেন,  অ্যাবোটাবাদের বাড়িতে বহু বছর ধরেই বিন লাদেনকে আটকে রেখেছিল পাকিস্তানের সেনা গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই। ২০১০ সালে পাকিস্তানের একজন পদস্থ গোয়েন্দা কর্মকর্তার কাছ থেকে প্রথম বিন লাদেনের অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারে মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।

ওসামা বিন-লাদেনের মস্তকের মূল্য ওয়াশিংটন ঘোষণা করা হয়েছিল দুই কোটি ৫০ লাখ ডলার। এ অর্থের লোভেই ওসামার অবস্থান সম্পর্কিত তথ্য ফাঁস করে দেন ওই পাকিস্তানি কর্মকর্তা। ওই কর্মকর্তা বর্তমানে আমেরিকায় বসবাস করছেন এবং সিআইএ’র উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করছেন বলে জানান হার্শ। তিনি বলেন, ওই পাক সেনা কর্মকর্তা সম্পর্কে বেশি কিছু বলা ঠিক হবে না।  হার্শ আরো বলেন, বিল-লাদেনকে খুঁজে বের করা করার জন্য কথিত টিকাদান কর্মসূচিও চালানো হয় নি। বিন-লাদেন বিরোধী অভিযানের পর টিকাদানের গল্প সাজানো হয়েছে। কথিত বার্তাবাহককে আটক ও জিজ্ঞাসাবাদ করে লাদেনের অবস্থান শনাক্ত করা গেছে বলে মার্কিন কর্মকর্তারা যে দাবি করেছেন তাকেও মিথ্যা ও বানোয়াট বলেছেন হার্শ।  

কথিত অভিযান চালিয়ে বিন লাদেনকে হত্যার বিষয়ে পাক কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন শীর্ষস্থানীয় মার্কিন  কর্মকর্তারা।  এই অভিযান সম্পর্কে তৎকালীন পাক সেনাপ্রধান জেনারেল আশফাক পারভেজ কিয়ানি এবং আইএসআই প্রধান জেনারেল আহমেদ শুজা পাশাকে অবহিত করা হয় নি বলে যে কথা বলা হয়েছে তাকে সরাসরি “ডাহা মিথ্যা” বলেছেন হার্শ।

এ ছাড়া, অভিযানের বহু আগে থেকে বিন লাদেনের সঙ্গে আল-কায়েদা চক্রের কোনো যোগাযোগই ছিল না। দীর্ঘদিন ধরেই এ যোগাযোগ বিছিন্ন করে দেয়া হয়েছিল বলেও জানান হার্শ। অভিযানের দিন বিন লাদেনের বাসভবনের আশপাশের পুরো এলাকার বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেয় আইএসআই। পাকিস্তানের ভূখণ্ডে মার্কিন হেলিকপ্টারকে ঢুকতে যেন পাক বাহিনী বাধা না দেয় তাও নিশ্চিত করে আইএসআই।

এ ছাড়া, মার্কিন বিশেষ নৌ কমান্ডো সিল’এর সদস্যদের সঙ্গে বিন লাদেন বিরোধী অভিযান চালানোর সময় কোনো গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটেনি বলেও হার্শ জানিয়েছেন। তিনি বলেন,  কেবলমাত্র 'অসহায়, দুর্বল এবং নিরস্ত্র' বিন-লাদেনকে হত্যার জন্যেই একতরফা গুলি চালানো হয়েছে। বিন-লাদেনের বাসভবন থেকে কোনো গোপন তথ্যেই উদ্ধার করা যায় নি।

বিন-লাদেনের লাশ সাগরে ফেলে দেয়া হয় নি বরং তাকে আফগানিস্তান কবর দেয়া হয়েছে বলে দাবি করেন হার্শ। তিনি বলেন, আমেরিকার কথিত সন্ত্রাস বিরোধী অভিযানে মিথ্যা তথ্য দেয়া একটা স্বাভাবিক বিষয়ে পরিণত হয়েছে।#   

রেডিও তেহরান/সমর/১১

কোন মন্তব্য নেই:

Post Top Ad

Responsive Ads Here