কিশোরগঞ্জে ধানের বাম্পার ফলন হলেও বাজারে মূল্যকম॥ লোকসান গুনছেন কৃষকরা - rangpur news

Breaking

Breaking News

rangpur news

This is news blog site.Here have important online newspaper.if you Concert:MD.Gulam azam sarkar. E-mail:gulamazam@gmail.com Mobil:01735632338

Windows

test banner

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

সোমবার, ১১ মে, ২০১৫

কিশোরগঞ্জে ধানের বাম্পার ফলন হলেও বাজারে মূল্যকম॥ লোকসান গুনছেন কৃষকরা

কিশোরগঞ্জে ধানের বাম্পার ফলন হলেও বাজারে

মূল্যকম॥ লোকসান গুনছেন কৃষকরা
খাদেমুল মোরসালন শাকীর,কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিনিধি॥  অন্যান্য বছরের তুলনায় রোগবালাই-পোকার আক্রমন ও সময় উপযোগী সেচ না থাকায় নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে ইরি-বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে বলে কৃষকেরা জানিয়েছেন। কিন্তু কৃষকের অভিযোগ বাম্পার ফলন হয়ে লাভ কি? বাজারে ধানের মূল্য অনেক কম, চাষাবাদ করে লোকসান গুনতে হচ্ছে বিঘা প্রতি দেড় থেকে দুই হাজার টাকা
। উপজেলার অনেক কৃষক জানান প্রতি বিঘা জমিতে ধান চাষ করে  সবমিলে খরচ হচ্ছে ৬থেকে ৭হাজার টাকা আর এক বিঘা জমির ধান বিক্রি করে কৃষকরা মূল্য পাচ্ছে ৫থেকে ৬ হাজার টাকা। যে হারে ধানের মূল্য হ্রাস পাচ্ছে পরবর্তী সময়ে উপজেলার কৃষকরা ধান চাষাবাদ করা ছেড়ে দিবেন বলে কপাল চাপড়িয়ে জানিয়েছেন। এছাড়াও অনেক প্রান্তিক কৃষক রয়েছেন যারা অন্যের জমি বর্গা নিয়ে ধান চাষাবাদ করেছেন তাদের অবস্থা আরো নাজেহাল ,মাথায় পড়েছে তাদের হাত,ফলে ঋণগ্রস্থ ও ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে পড়েছেন তারা। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রেজাউল ইসলাম সংবাদদাতাকে জানান এবারে কিশোরগঞ্জ উপজেলার বোরো ধানের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১০হাজার ৭ শত ৫হেক্টর জমি এছাড়া অন্যান্য উপজেলার তুলনায় এই উপজেলায় রোগবালাই আশঙ্কা অনেক কম দেখা গেছে। বর্তমানে নিত্য প্রযোজনীয় দ্রব্যের মূল্য যে হারে বেড়েই চলেছে তাতে এক মণ ধান বিক্রি করে হচ্ছে না এক কেজি মাংস। এদিকে এক শ্রেনীর কৃষক ধান চাষাবাদ করার সময় দাদন ব্যবসায়ী কিংবা ব্যাংক থেকে ঋন নিয়েছেন ধান উঠিয়ে বিক্রি করে ঋন পরিশোধ করবে,কিন্তু ধানের মূল্য কম হওয়ায় ধান বিক্রি করেও পরিশোধ হচ্ছে না তাদের ঋন। তাই ভাল ফলন হওয়ার পরেও ঋনের বোঝা মাথায় নিয়ে থাকতে হচ্ছে কৃষকদের।  
কিশোরগঞ্জে বাল্য বিবাহের ভয়ে বিয়ে না করে ঘর সংসার
কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিনিধি ॥ নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় বিয়ে না করে ঘর সংসার করা নিয়ে এলাকায় তোলপাড়। ঘটনাটি ঘটেছে গত ২৮ এপ্রিল-২০১৫ইং উপজেলার মাগুড়া ইউনিয়নের উত্তর সিঙ্গেরগাড়ী মাছুয়া পাড়া গ্রামে। সরেজমিনে গিয়ে জানাগেছে মাগুড়া ইউনিয়নের উত্তর সিঙ্গেরগাড়ী মাছুয়া পাড়া গ্রামের মোঃ নাজমুল হোসেনের স্কুল পড়–য়া কন্যা ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী মোছাঃ নাজমা আক্তার (১২) এর সাথে উত্তর সিঙ্গেরগাড়ী বড়বাড়ী গ্রামের নব-মুসলিম আবু সাইয়েদ এর পূত্র মোঃ রবিউল ইসলাম (১৮) এর মৌখিকত ভাবে বিয়ে হয় এবং স্বামী স্ত্রী উভয় ঘর সংসার করে আসিতেছে। উক্ত বিয়েটি বাল্য বিবাহের আওতায় পড়ায় সংবাদ কর্মিরা সরেজমিনে ঘটনাস্থল যান এবং ছেলে বাবার সাথে কথা বললে তিনি জানান ছেলের বিয়ে দিয়েছি কিন্তু কাজী দ্বারা রেজিষ্ট্রেরী কিংবা মৌলভী দ্বারা বিয়ে হয়নি, আমরা মৌখিক ভাবে বিয়ে দিয়েছি এছাড়া ছেলের বৌ-কে নাকফুল দিয়ে নিয়ে এসেছি, আমার ছেলে বর্তমানে কাজে বগুড়া গেছে। পরে মেয়ের বাবা নাজমুল ইসলামের সাথে দেখা করার জন্য তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চায়ের দোকান খিলালগঞ্জ এলাকায় গেলে দোকানে তার নতুন জামাই রবিউল ইসলাম  চেংটু) কে পাওয়া যায়। তাকে জিজ্ঞাসা করা হলে তার শ্বশুর কোথায় গেছে বলতে পারে না। বাল্য বিবাহ সম্পর্কিত ব্যাপারে অত্র ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ তহিদুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি জানান আমি যতটুকু জানি মেয়ের বিয়ে হয় নাই মেয়েকে শ্বশুর বাড়ীতে আনছে কিনা আমি জানি না। নাম প্রকাশ্যে অনইচ্ছুক ঐ গ্রামের কয়েকজন ব্যক্তি সংবাদদাতাদের জানান ৮নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মোঃ তহিদুল ইসলামের উপস্থিতিতে উক্ত মৌখিক বাল্য বিয়ের ঘটনাটি ঘটেছে, তিনি যেনেও না জানার ভান করে চলেছেন তার ওয়ার্ডে প্রায় বাল্য বিবাহের ঘটনা ঘটে কিন্ত বিষয় গুলো গোপন রাখেন কোন তথ্য দেন না প্রসাশন কে। তেনারা আরো জানান ইউপি সদস্য তহিদুল ইসলাম ছেলে পক্ষের নিকট থেকে মোট অংকের টাকা নিয়েছে বাল্য বিবাহের ব্যাপারে। বিষয়টি সংবাদদাতারা তাৎক্ষানিক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সিদ্দিকুর রহমানকে অবগত করলে তিনি জানান আমি প্রতিনিধি পাটাচ্ছি।

কোন মন্তব্য নেই:

Post Top Ad

Responsive Ads Here