যারিস: ইসলামবিরোধী ফরাসি ব্যাঙ্গাত্মক সাময়িকী শার্লি এবদোর প্রধান
কার্টুনিস্ট ‘লুজ’ আর কখনো মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর কার্টুন আঁকবেন না
বলে ঘোষণা দিয়েছেন।
প্যারিস কার্যালয়ে সন্ত্রাসী হামলার পর জানুয়ারিতে প্রকাশিত ম্যাগাজিনটির প্রচ্ছদে ‘আমি শার্লি’ শিরোনামে মহানবীর যে ব্যাঙ্গচিত্রটি ছিল সেটিও তিনিই এঁকেছিলেন।
গত ৭ জানুয়ারি মুখোশধারী দুই বন্দুকধারী ওই পত্রিকাটির কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ১২ জনকে হত্যা করে।
পত্রিকাটিতে মহানবীকে নিয়ে আঁকা ব্যাঙ্গচিত্র প্রকাশিত হওয়ায় এ হামলা চালিয়েছিল আল কায়দা। ইসলাম ধর্ম মহানবীর ছবি আঁকাকে সমর্থন করে না।
শার্লি এবদোর কার্টুনিস্ট রেনাল্ড লুজিয়ার সংক্ষেপে লুজ ফরাসি সাময়িকী ‘ইনরকস’কে দেয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছে, তিনি বাকি জীবনে মহানবীর কোনো কার্টুন আঁকবেন না।
জানুয়ারির ওই হামলার পর বিশ্বজুড়ে শার্লি এবদোর প্রচার সংখ্যা এক লাফে ৮০ লাখে ওঠে আসে যা তাদের স্বাভাবিক সময়ে প্রকাশিত সংখ্যার চাইতে কয়েকগুন বেশি।
সাধারণত এ পত্রিকার ৬০ হাজার কপি বাজারে আসত। তখন ‘জো সুই চার্লি’ বা ‘আমিই শার্লি’ প্রচারণাটি ইসলামবিরোধীদের কাছে বেশ জনপ্রিয়তা পায়।
হামলার পর সাময়িকীটির প্রচ্ছদে ফের মহানবীর কার্টুন প্রকাশিত হয়। তাতে ক্রন্দনরত মহানবীর হাতে একখানা ব্যানার জুড়ে দেয়া হয় যাতে লেখা ‘আমিই শার্লি’ এবং পাশেই লেখা ছিল ‘সব ক্ষমা করলাম’। লুজই সেই কার্টুনটি আঁকেন।
কিন্তু যেই মহানবীর কার্টুনের জন্য এত ঘটনা, তার ওপরই কীনা কার্টুন আঁকতে অনীহা বোধ করছেন কার্টুনিস্ট লুজ! এর কারণ জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন,‘আমি মুহাম্মদ সা. আর সারকোজির (সাবেক ফরাসি প্রেসিডেন্ট নিকোলাস সারকোজি) কার্টুন আঁকতে আঁকতে ক্লান্ত হয়ে ওঠেছি। তাদের কার্টুন এঁকে গোটা জীবন কাটিয়ে দেওয়ার কোনো ইচ্ছাই আমার নেই।’
প্যারিস কার্যালয়ে সন্ত্রাসী হামলার পর জানুয়ারিতে প্রকাশিত ম্যাগাজিনটির প্রচ্ছদে ‘আমি শার্লি’ শিরোনামে মহানবীর যে ব্যাঙ্গচিত্রটি ছিল সেটিও তিনিই এঁকেছিলেন।
গত ৭ জানুয়ারি মুখোশধারী দুই বন্দুকধারী ওই পত্রিকাটির কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ১২ জনকে হত্যা করে।
পত্রিকাটিতে মহানবীকে নিয়ে আঁকা ব্যাঙ্গচিত্র প্রকাশিত হওয়ায় এ হামলা চালিয়েছিল আল কায়দা। ইসলাম ধর্ম মহানবীর ছবি আঁকাকে সমর্থন করে না।
শার্লি এবদোর কার্টুনিস্ট রেনাল্ড লুজিয়ার সংক্ষেপে লুজ ফরাসি সাময়িকী ‘ইনরকস’কে দেয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছে, তিনি বাকি জীবনে মহানবীর কোনো কার্টুন আঁকবেন না।
জানুয়ারির ওই হামলার পর বিশ্বজুড়ে শার্লি এবদোর প্রচার সংখ্যা এক লাফে ৮০ লাখে ওঠে আসে যা তাদের স্বাভাবিক সময়ে প্রকাশিত সংখ্যার চাইতে কয়েকগুন বেশি।
সাধারণত এ পত্রিকার ৬০ হাজার কপি বাজারে আসত। তখন ‘জো সুই চার্লি’ বা ‘আমিই শার্লি’ প্রচারণাটি ইসলামবিরোধীদের কাছে বেশ জনপ্রিয়তা পায়।
হামলার পর সাময়িকীটির প্রচ্ছদে ফের মহানবীর কার্টুন প্রকাশিত হয়। তাতে ক্রন্দনরত মহানবীর হাতে একখানা ব্যানার জুড়ে দেয়া হয় যাতে লেখা ‘আমিই শার্লি’ এবং পাশেই লেখা ছিল ‘সব ক্ষমা করলাম’। লুজই সেই কার্টুনটি আঁকেন।
কিন্তু যেই মহানবীর কার্টুনের জন্য এত ঘটনা, তার ওপরই কীনা কার্টুন আঁকতে অনীহা বোধ করছেন কার্টুনিস্ট লুজ! এর কারণ জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন,‘আমি মুহাম্মদ সা. আর সারকোজির (সাবেক ফরাসি প্রেসিডেন্ট নিকোলাস সারকোজি) কার্টুন আঁকতে আঁকতে ক্লান্ত হয়ে ওঠেছি। তাদের কার্টুন এঁকে গোটা জীবন কাটিয়ে দেওয়ার কোনো ইচ্ছাই আমার নেই।’

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন