তিস্তা নদী ভাঙন ৫ শতাধিক পরিবারের আশ্রয় পীরগাছায় মো. গোলাম আযম সরকার - rangpur news

Breaking

Breaking News

rangpur news

This is news blog site.Here have important online newspaper.if you Concert:MD.Gulam azam sarkar. E-mail:gulamazam@gmail.com Mobil:01735632338

Windows

test banner

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

বুধবার, ১ জুন, ২০১৬

তিস্তা নদী ভাঙন ৫ শতাধিক পরিবারের আশ্রয় পীরগাছায় মো. গোলাম আযম সরকার

তিস্তা নদী ভাঙন

মো. গোলাম আযম সরকার

পীরগাছা প্রতিনিধি
নতুন বার্তা ডটকম
রংপুর: রংপুরের পীরগাছা উপজেলার ৫ নং ছাওলার ইউনিয়নের গাবুড়াসহ আশেপাশের বিভিন্ন এলাকায় পার্শ্ববর্তী কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার আম্বনিয়ায় তিস্তা নদী ভাঙ্গনের কারণে জমাজমি হারিয়ে কমপক্ষে ৫ শতাধিক পরিবার আশ্রয় নিয়ে বসবাস করছেন।

বর্তমান পুনরায় ধীরগতিতে তিস্তার ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। পীরগাছা সীমান্তের একেবারেই কাছে পৌঁছে দিয়েছে তিস্তা । যা আধা কিলোমিটারও হবে না। এলাকাবাসীরা বলছেন কোয়াটার কিলোমিটার দূরে তিস্তা নদী অবস্থান করছেন। এখানেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে যেকোনো সময় পীরগাছা সীমান্ত অতিক্রম করবে এই তিস্তা।

২৭ মে শনিবার চরাঞ্চলে গেলে দেখা যায় সবাই তিস্তা পাড় হয়ে উলিপুরে উপজেলার একটি ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন।

ভোটাররা জানান আমাদের সুবিধার জন্য ৩০ হাজার টাকা দিয়ে নৌকা কন্টাক করে দিয়েছেন সকল প্রার্থী। এর ফলে আজ যে কেউ টাকা পয়সা ছাড়াই ভোট কেন্দ্রে যাতায়াত করেতে পারবেন।
এই নদী ভাঙ্গন মানুষগুলোর ভোট থেকে শুরু করে সবকিছু করতে হয় উলিপুরে গিয়ে।

আতাউর রহমান নামের একজন নতুন বার্তা ডটকমকে বলেন, আমার বাড়ি উলিপুরের  আমন্বিয়া , সেখানে আমার ২৬৪ শতক জমি ছিল, যা বর্তমানে নদীর বুকে।


তিনি জানান, আজ আমি অন্যও কাছ থেকে জমি ধার করে নিয়ে বসবাস করছি।

তিনি বলেন ,বর্তমানে আমার সংসার জীবন চলছে, জমি বন্ধক নিয়ে  বাদাম চাষাবাদসহ বিভিন্ন ধরনের আবাদ করে। এই এলাকার মানুষ গুলো খুবেই অসহায়, এক সময়কার বিত্তশালী মানুষগুলো আজ অন্য মানুষের দয়ায বেঁচে আছেন। অথচ একসময় তারাই মানুষকে সহযোগিতা করতো।

আতাউর রহমান নতুন বার্তা ডটকমকে আরো বলেন, পীরগাছা উপজেলার ছাওলা-তাম্বুলপুর ইউনিয়নের চরাঞ্চলে অনেকেই আমরা বসবাস করছি। শুধুমাত্র ছাওলার চরাঞ্চলে ৩-৪ শত পরিবার আশ্রয় নিয়েছেন।এদের মধ্যে অনেকেই জমি কিনে নিয়ে ,ঘর তৈরি করেছেন। কিন্তু জমির অভাবে তিনি এখনো বাড়ি তৈরি করতে পারিনি। তিনি এসময় আরো বলেন পুনরায়  তিস্তা নদী  ভাঙ্গন শুরু হয়েছে।

এ ব্যাপারে ৫ নং ছাওলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নাজির হোসেন নতুন বার্তা ডটকমকে বলেন, নদী ভাঙ্গনের কারণে তারা আমার এ ইউনিয়নে আশ্রয় নিয়েছে। মানবিক কারণেই তাদেরকে থাকতে দেয়া হয়েছে।

নতুন বার্তা/ওএফএস

কোন মন্তব্য নেই:

Post Top Ad

Responsive Ads Here